রাজনীতিতে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ও নবীন-প্রবীণ সমন্বয় নিয়ে ফের সরব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও রাজনীতিতে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা এবং নতুন প্রজন্মের অন্তর্ভুক্তির পক্ষে সওয়াল করেছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলায় এক যোগদান কর্মসূচিতে তিনি স্পষ্ট জানান, দলে নবীন ও প্রবীণদের মিশেলেই কাজ হওয়া উচিত। নিজে কতদিন রাজনীতি করবেন সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করে তিনি জানান, সাধ্যমতো নতুনদের সুযোগ করে দেওয়াই তাঁর লক্ষ্য।
বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থিতালিকা চূড়ান্ত হওয়ার প্রাক্কালে অভিষেকের এই মন্তব্য রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রবীণ নেতাদের একাংশ অতীতে এই তত্ত্বের বিরোধিতা করলেও অভিষেক নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি মনে করেন, বয়স বাড়লে শারীরিক সক্ষমতা কমে, তাই তরুণদের জন্য জায়গা ছেড়ে দেওয়া প্রয়োজন। সায়নী ঘোষ বা দেবাংশু ভট্টাচার্যের উদাহরণ টেনে তিনি নতুনের আবাহন জানান।
অভিষেক স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি এখনই রাজনীতি ছাড়ছেন না, তবে ব্যক্তিগতভাবে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চান। তাঁর মতে, রাজনীতিতে আজীবন টিকে থাকার চেয়ে নতুন নেতৃত্ব গড়ে তোলা বেশি জরুরি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নতুনদের সামনে আনতে আগ্রহী বলে তিনি উল্লেখ করেন। দলের অভ্যন্তরে এই বয়সবিধি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, আসন্ন নির্বাচনে এই নীতি কতটা প্রতিফলিত হয় সেটাই এখন দেখার।

