রাজ্যসভা কাঁপিয়ে বাঙালি বিপ্লবীদের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির দাবি ঋতব্রতের, তুঙ্গে বিতর্ক!
রাজ্যসভার জিরো আওয়ার সেশনে মেদিনীপুরের তিন ব্রিটিশ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হত্যাকাণ্ডে জড়িত নয়জন অকুতোভয় বাঙালি বিপ্লবীর বীরগাথা এনসিইআরটি-র স্কুল পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র ধারার এই তরুণরা জাতীয় ইতিহাসে চরম অবহেলিত। দীনেশ গুপ্ত থেকে শুরু করে প্রদ্যুত ভট্টাচার্য ও নির্মলজীবন ঘোষদের আত্মত্যাগ ব্রিটিশ শাসনের ভিত কাঁপিয়ে দিলেও তাঁরা যথাযোগ্য সম্মান পাননি বলে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন।
আন্দামানের সেলুলার জেলে বন্দি ৭০ শতাংশ বিপ্লবীই বাঙালি ছিলেন উল্লেখ করে সাংসদ সেখানে তাঁদের মূর্তি নির্মাণের দাবি তোলেন। কারোর নাম না নিলেও, ক্ষমা প্রার্থনাকারীদের উদ্যাপন এবং আপসহীন বিপ্লবীদের অবমাননা নিয়ে তাঁর মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা তৈরি করেছে। বারীন্দ্রকুমার ঘোষ ও হেমচন্দ্র কানুনগোর মতো বিপ্লবীদের অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে ঋতব্রত জোর দিয়ে বলেন, এই বীরদের ইতিহাস আগামী প্রজন্মের জানা একান্ত প্রয়োজন।

