রাজ্যে বাড়ছে হোল্ডিং সেন্টারের সংখ্যা, আটক তিন শতাধিক মানুষ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
রাজ্যে কতগুলি হোল্ডিং সেন্টার বা আটক শিবির চালু হয়েছে এবং সেখানে বর্তমানে কত জন বন্দি রয়েছেন, সেই সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসাব দিল রাজ্য প্রশাসন। অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত সংক্রান্ত আইনি জটিলতায় আটক ব্যক্তিদের রাখার জন্য এই কেন্দ্রগুলি পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রশাসনের সাম্প্রতিকতম তথ্যে রাজ্যের এই শিবিরের প্রকৃত চিত্রটি সামনে এসেছে।
বসিরহাটে সর্বোচ্চ ভিড়, মোট আটকের সংখ্যা ৩৮৬
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের ১১টি জায়গায় এই হোল্ডিং সেন্টার বা শিবির খোলা হয়েছে। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে একাই ৩টি শিবির রয়েছে। এছাড়া বারুইপুর, সুন্দরবন, বনগাঁ ও মুর্শিদাবাদসহ বাকি জেলা এবং পুলিশ জেলাগুলিতে ১টি করে শিবির সচল রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে, বসিরহাটের শিবিরগুলিতেই সবচেয়ে বেশি মানুষকে রাখা হয়েছে। সেখানে মোট আটক মানুষের সংখ্যা ৩৩৫ জন। যার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ১৪৮, মহিলার সংখ্যা ৯৯ এবং শিশুর সংখ্যা ৮৮। সবমিলিয়ে রাজ্যের সবকটি সেন্টার মিলিয়ে এই মুহূর্তে মোট ৩৮৬ জনকে আটকে রাখা হয়েছে।
কারণ ও সম্ভাব্য প্রভাব
সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিদেশি নাগরিকদের সাময়িকভাবে আটকে রাখার প্রশাসনিক বাধ্যবাধকতার কারণেই এই হোল্ডিং সেন্টারগুলি গড়ে তোলা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কেন্দ্রগুলিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি এবং বিশেষ করে শিশুদের আবাসন প্রশাসনের ওপর মানবিক ও পরিকাঠামোগত চাপ বাড়াতে পারে। বন্দিদের দ্রুত আইনি নিষ্পত্তি বা প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া গতিশীল না হলে এই শিবিরগুলির ধারণক্ষমতা এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ আগামী দিনে আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
