রেফার রোগ রুখতে কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর, বিনামূল্যে জরায়ু ক্যানসার টিকাকরণের সূচনা বাংলায় – এবেলা

রেফার রোগ রুখতে কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর, বিনামূল্যে জরায়ু ক্যানসার টিকাকরণের সূচনা বাংলায় – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

জরায়ু ক্যানসার রুখতে রাজ্যজুড়ে বিনামূল্যে টিকাকরণ কর্মসূচি, কড়া বার্তা সরকারি হাসপাতালের জন্য

মারণ ব্যাধি জরায়ু মুখের ক্যানসার প্রতিরোধে কোমর বেঁধে নামল রাজ্য প্রশাসন। শনিবার বিধাননগর হাসপাতালে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজ্যজুড়ে ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সি কিশোরীদের জন্য বিনামূল্যে এই টিকাকরণ কর্মসূচির সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রকল্পে রাজ্যের ২৩৫টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রথম ধাপে টিকাকরণ শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে ৮৮০টি কেন্দ্রে এই কর্মসূচি সম্প্রসারিত হবে, যার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পাঠানো ৭ লক্ষ ৭২ হাজার ৬৫০ ডোজ প্রতিষেধক ব্যবহার করা হচ্ছে।

হাসপাতালের রেফার সংস্কৃতি ও দালাল চক্র রুখতে কড়া পদক্ষেপ

স্বাস্থ্য পরিষেবার মানোন্নয়নে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারি হাসপাতালে ‘রেফার রোগ’ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সমন্বয় সূত্র তৈরির পাশাপাশি তিনি বেসরকারি হাসপাতালের ওপর নজরদারি বাড়িয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, সরকারের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা বা এক টাকায় জমি পাওয়া বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে তাদের মোট শয্যা সংখ্যার ১৫ শতাংশ সাধারণ মানুষের জন্য সংরক্ষিত রাখতে হবে। সরকারি হাসপাতাল থেকে রেফার করা রোগীদের ওই নির্দিষ্ট বেডে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদানের বাধ্যবাধকতাও আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া দালাল চক্র নির্মূল করতে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে লাইভ মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

২১০০ কোটি টাকার স্বাস্থ্য প্রকল্পে আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা

কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে ন্যাশনাল হেলথ মিশনের আওতায় বাংলায় ২,১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ ইতিমধ্যে রাজ্য হাতে পেয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১ কোটি ৩৬ লক্ষ পরিবারের প্রায় ৬ কোটিরও বেশি মানুষ চিকিৎসার আওতায় আসবেন। এর পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে এইমস স্থাপনের জমি চিহ্নিতকরণ এবং রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নতুন মেডিকেল কলেজ নির্মাণের পরিকল্পনাও দ্রুত বাস্তবায়নের পথে। সাধারণ মানুষের জন্য জনৌষধি কেন্দ্র ও অমৃত প্রকল্পের মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রশাসনের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *