লক্ষ্য যখন ইঞ্জিনিয়ার হওয়া, মাধ্যমিকেই বাজিমাত করে হায়দরাবাদে বেদশ্রুতি – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় পঞ্চম স্থান অর্জন করে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের নাম উজ্জ্বল করল বেদশ্রুতি সিংহ। ৬৯৩ নম্বর পেয়ে মেয়েদের মধ্যে রাজ্যে সম্ভাব্য প্রথম স্থান অধিকার করেছে সে। ইসলামপুর গার্লস হাই স্কুলের এই কৃতি ছাত্রীর সাফল্যে খুশির জোয়ার জেলাজুড়ে। ছোট থেকেই অত্যন্ত পরিশ্রমী ও মেধাবী হিসেবে পরিচিত বেদশ্রুতি নিজের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এই অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছে।
সাফল্যের নেপথ্যে কঠোর পরিশ্রম ও লক্ষ্য
বেদশ্রুতির এই সাফল্যের পিছনে কাজ করেছে নিয়মিত পড়াশোনা এবং অদম্য জেদ। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা জানিয়েছেন, বেদশ্রুতি বরাবরের শান্ত ও পরিশ্রমী ছাত্রী। কেবল পরীক্ষার নম্বর নয়, বিষয়ের গভীরে গিয়ে জানার আগ্রহই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। তাঁর পরিবারে শিক্ষার পরিবেশ আগে থেকেই বিদ্যমান, বড় দাদাও মাধ্যমিকে সপ্তম স্থান অধিকার করেছিলেন। দাদার দেখানো পথেই হেঁটে এখন সাফল্যের শিখরে বোন।
ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্নে ভিনরাজ্যে পাড়ি
গতানুগতিক উচ্চ মাধ্যমিকের পড়াশোনার চেয়ে নিজের লক্ষ্যপূরণে বেশি আগ্রহী বেদশ্রুতি। বড় হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন পূরণে সে ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গ ছেড়ে সুদূর হায়দরাবাদে পাড়ি দিয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই সেখানে জয়েন্ট এন্ট্রান্সের কঠোর প্রস্তুতি শুরু করেছে সে। ফোনের ওপার থেকেই সে নিজের সাফল্যের খবর শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে। ইসলামপুরের এই কন্যার অভাবনীয় সাফল্য বর্তমান প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এক ঝলকে
- মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় ৬৯৩ নম্বর পেয়ে পঞ্চম স্থান ও মেয়েদের মধ্যে প্রথম বেদশ্রুতি সিংহ।
- উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর গার্লস হাই স্কুলের কৃতি ছাত্রী সে।
- লক্ষ্য ইঞ্জিনিয়ার হওয়া, তাই মাধ্যমিকের পরই জয়েন্ট এন্ট্রান্সের প্রস্তুতির জন্য বর্তমানে হায়দরাবাদে অবস্থান করছে।
- বেদশ্রুতির দাদা ইতিপূর্বে মাধ্যমিকে রাজ্যে সপ্তম স্থান অধিকার করেছিলেন।
