লাল-হলুদ-সবুজই কেন? জানুন ট্রাফিক সিগন্যালের শতাব্দী প্রাচীন ও চমকপ্রদ ইতিহাস! – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
রাস্তায় চলাচলের সময় ট্রাফিক সিগন্যালে লাল, হলুদ ও সবুজ আলো দেখা অত্যন্ত পরিচিত এক দৃশ্য। তবে এই তিন রঙের পছন্দের পেছনে রয়েছে এক শতাব্দীরও বেশি পুরনো ইতিহাস এবং বৈজ্ঞানিক কারণ। বিশ্বের প্রথম সিগন্যাল ব্যবস্থা ১৮৬৮ সালে লন্ডনে শুরু হলেও, বিশ শতকের শুরুতে দ্রুত যানবাহন ও দুর্ঘটনা বাড়ায় আধুনিক সংকেতের প্রয়োজন তীব্র হয়। দূর থেকে সহজে দৃশ্যমান হওয়ার কারণে লাল রংকে ‘থামুন’ সংকেত হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। অন্যদিকে, সাদা আলো অন্য আলোর সাথে গুলিয়ে যাওয়ার সমস্যা তৈরি করায় মানুষের চোখের সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে সবুজ রংকে ‘চলুন’ সংকেত নির্ধারণ করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে ১৯২০ সালে আমেরিকায় লাল ও সবুজের মাঝখানে হলুদ আলো যুক্ত করা হয়। চলন্ত গাড়িকে হঠাৎ থামতে না বলে চালককে গতি কমানোর সতর্কবার্তা দিতে এবং পরবর্তী সংকেতের জন্য প্রস্তুত করতেই এই পরিবর্তন আনা হয়। পরবর্তীতে ১৯২৪ সালের দিকে সড়ক দুর্ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ায় এই তিন রঙের বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবস্থাটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। লাল মানে থামুন, হলুদ মানে প্রস্তুত হন এবং সবুজ মানে চলুন—সহজ এই ক্রমটি মূলত পথচারী ও চালকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই বিশ্বজুড়ে প্রচলিত হয়।
