লাশের পাশে বসে বিয়ার পান ও লালসা মেটানো! এমবিএ ছাত্রীর খুনের ঘটনায় শিউরে উঠছে দেশ – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও পৈশাচিকতার সীমা যে কতটা নিচে নামতে পারে, তার সাক্ষী থাকল দেশ। চব্বিশ বছর বয়সী এক এমবিএ ছাত্রীকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁরই প্রেমিক পীযূষ ধামনোতিয়াকে। তবে এই খুনের নেপথ্যে যে ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে, তাতে তদন্তকারী অফিসারদেরও রক্ত হিম হওয়ার জোগাড়।
খুনের হাড়হিম করা চিত্রনাট্য
তদন্তে জানা গিয়েছে, পীযূষ ওই ছাত্রীকে নিজের ভাড়া করা ঘরে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। সেখানে শারীরিক সম্পর্কের জন্য চাপ দিলে ছাত্রীটি বাধা দেন। এর পরেই শুরু হয় নারকীয় তাণ্ডব। অভিযুক্ত যুবক ছাত্রীর হাত-পা বেঁধে, চোখে কাপড় জড়িয়ে মুখে কাপড় গুঁজে দেন। এরপর তাঁর বুকের ওপর বসে ততক্ষণ শ্বাসরোধ করেন, যতক্ষণ না মৃত্যু নিশ্চিত হয়। এমনকি খুনের পর উন্মত্ত আক্রোশে ছাত্রীর বুকে ছুরির কোপ মারেন তিনি। আঘাত এতটাই জোরালো ছিল যে ছুরির ফলাটি শরীরের ভেতরেই ভেঙে আটকে যায়।
লাশের সঙ্গে বিকৃত লালসা
পুলিশি জেরায় অভিযুক্ত যা কবুল করেছে তা শুনে যে কেউ শিউরে উঠবেন। খুনের পর পীযূষ ঘর থেকে বেরিয়ে বিয়ার কিনে আনেন। এরপর মৃতদেহের পাশে বসেই আয়েশ করে বিয়ার পান করেন তিনি। শুধু তাই নয়, মৃতদেহের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক (Necrophilia) লিপ্ত হন ওই যুবক। এরপর ছাত্রীর কিছু আপত্তিজনক ভিডিও কলেজের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ছড়িয়ে দিয়ে সেখান থেকে চম্পট দেন। দুই দিন পর যখন মৃতদেহ উদ্ধার হয়, তখন তা এতটাই পচনশীল অবস্থায় ছিল যে নিজের মেয়ের পাড়ের মোজা দেখে শনাক্ত করতে হয় বাবাকে।
অনুতাপহীন খুনি
গ্রেফতারের পর পীযূষের চেহারায় বিন্দুমাত্র অনুশোচনা দেখা যায়নি। সংবাদমাধ্যমের সামনে হাসিমুখে তাঁর মন্তব্য ছিল, “যা হওয়ার তা হয়ে গেছে, এখন জেনে কী করবেন? সময় এলে সব বলব।” অভিযুক্তের এই বেপরোয়া মনোভাব ও বিকৃত মানসিকতা দেখে হতবাক প্রশাসন। এই নারকীয় ঘটনার গভীর তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

