লোকসভায় আসন বাড়ছে ৫০%? বাদল অধিবেশনে মেগা বিল আনার তোড়জোড় কেন্দ্রের! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
আসন্ন বাদল অধিবেশনে জোড়া গুরুত্বপূর্ণ বিল নিয়ে বড়সড় পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। একদিকে যেমন মহিলা সংরক্ষণ ও ডিলিমিটেশন বিল পাসে মরিয়া কেন্দ্র, অন্যদিকে তেমনই ধৃত মন্ত্রীদের অপসারণ সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত বিলের রিপোর্ট আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।
ডিলিমিটেশন বিল ও লোকসভায় আসন বৃদ্ধি সূত্রের খবর, ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা সংসদের বাদল অধিবেশনে ডিলিমিটেশন বিল পাশ করাতে তৎপর মোদী সরকার। বিরোধীদের ঐকমত্যে আনতে কেন্দ্র বড়সড় আশ্বাস দিতে চলেছে:
- আসন বৃদ্ধি: রাজ্যগুলির আশঙ্কা দূর করতে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের সব রাজ্যে লোকসভার আসন অভিন্নভাবে ৫০% বাড়ানো হবে।
- রাজনৈতিক সমীকরণ: রাজ্যসভায় কেন্দ্রের শক্তি থাকলেও লোকসভায় সংবিধান সংশোধনের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। তৃণমূল কংগ্রেস ও শিবসেনা (ইউবিটি)-র অন্দরের ভাঙন এবং কংগ্রেস ও ডিএমকে-র মধ্যে মতপার্থক্যের দিকে কড়া নজর রাখছে সরকার।
- কংগ্রেসের দাবি: যদিও কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশের দাবি, বিরোধীদের শিবিরে ভাঙন সত্ত্বেও বিল পাশের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা এখনও কেন্দ্রের হাতে নেই।
জেলে থাকা মন্ত্রীদের অপসারণ বিল স্থগিত বাদল অধিবেশনের আগেই একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংসদীয় প্যানেল। গুরুতর অপরাধে কোনও মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী ৩০ দিন বা তার বেশি সময় গ্রেপ্তার থাকলে, তাঁকে পদচ্যুত করার জন্য আনা ‘সংবিধান (১৩০ তম সংশোধনী) বিল, ২০২৫’-এর রিপোর্ট পেশ আপাতত স্থগিত রাখা হলো।
- কেন স্থগিত? শুক্রবার প্যানেলের চেয়ারপার্সন অপর্ণা সারেঙ্গি জানান, খসড়া রিপোর্টটি এখনও গৃহীত হয়নি। বিরোধীদের প্রবল আপত্তির জেরে এবং বিলটির সুদূরপ্রসারী প্রভাবের কথা মাথায় রেখে সব দলের সঙ্গে আরও বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।
- কী বলছে প্যানেল? মোট ২৭টি রাজনৈতিক দলকে চিঠি দেওয়া হলেও অনেকেই বৈঠকে যোগ দেয়নি। তবে সরকারের উদ্দেশ্য সঠিক হলেও, তাড়াহুড়ো না করে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চায় প্যানেল।
আপাতত এই বিলগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশনের দিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।
