শুভেন্দুর প্রথম পাঁচেই মতুয়া প্রতিনিধি, মন্ত্রিসভায় বড় চমক অশোক কীর্তনিয়া
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/05/09/ashok-2026-05-09-15-07-03.jpeg)
বঙ্গ জয়ের পর ব্রিগেডের মহাসমাবেশে রাজকীয় শপথগ্রহণের মাধ্যমে পথচলা শুরু করল শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন বিজেপি সরকার। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথের পাশাপাশি নজর কেড়েছে প্রথম সারির পাঁচ মন্ত্রীর তালিকা। বিশেষত, বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার নাম প্রথম পাঁচেই রাখা হয়েছে, যা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে এক অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মতুয়া মন জয়ে বড় সিদ্ধান্ত
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে মতুয়া ভোট ছিল জয়ের অন্যতম চাবিকাঠি। নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থীকে ৪০ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করে অশোক কীর্তনিয়া প্রমাণ করেছেন মতুয়াগড়ে বিজেপির ভিত এখনও মজবুত। নাগরিকত্ব ইস্যু এবং ভোটার তালিকা নিয়ে উদ্ভূত নানা উদ্বেগের মাঝেও মতুয়ারা যেভাবে বিজেপির ওপর ভরসা রেখেছেন, অশোক কীর্তনিয়াকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিত্ব দিয়ে তারই প্রতিদান দিল গেরুয়া শিবির।
ত্রিশক্তির ভারসাম্য ও সংহতির বার্তা
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হিন্দু, আদিবাসী ও মতুয়া— এই ‘ত্রিশক্তি’র মেলবন্ধন ঘটানোর স্পষ্ট চেষ্টা দেখা গিয়েছে। একদিকে আদিবাসী প্রতিনিধি হিসেবে ক্ষুদিরাম টুডুর শপথ, অন্যদিকে মতুয়া সমাজের কণ্ঠস্বর হিসেবে অশোক কীর্তনিয়ার অন্তর্ভুক্তি রাজ্যে এক নতুন সামাজিক ভারসাম্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহলের দীর্ঘদিনের বিভাজন কাটিয়ে মতুয়া সমাজকে একজোট করা এবং তাদের নাগরিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এখন নতুন সরকারের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ।
এক ঝলকে
- শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভায় প্রথম পাঁচ মন্ত্রীর তালিকায় জায়গা পেলেন মতুয়া প্রতিনিধি অশোক কীর্তনিয়া।
- বনগাঁ উত্তর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থীকে ৪০ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করে জয়ী হয়েছেন তিনি।
- হিন্দু-আদিবাসী-মতুয়া জোটকে গুরুত্ব দিয়ে সরকারে ভারসাম্য রক্ষার বার্তা দিয়েছে বিজেপি।
- মতুয়াদের নাগরিকত্ব ও অধিকার নিশ্চিত করাই নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হতে চলেছে।
