শৈশবের মায়া কাটিয়ে অকেজো খেলনা, বিদায় না দিলে হতে পারে মহাবিপদ – এবেলা

শৈশবের মায়া কাটিয়ে অকেজো খেলনা, বিদায় না দিলে হতে পারে মহাবিপদ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

শৈশবের স্মৃতি জড়ানো ভাঙা পুতুল বা খেলনা গাড়ির চাকা অনেক সময় আমরা মায়ার টানে ঘরের কোণে জমিয়ে রাখি। আপাতদৃষ্টিতে এটি সাধারণ অভ্যাস মনে হলেও বাস্তুশাস্ত্রবিদদের মতে, এই ছোট অবহেলাই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক অমঙ্গল। অকেজো এবং ভাঙা বস্তু গৃহের পরিবেশে নেতিবাচক শক্তির সঞ্চার করে, যা পরিবারের সদস্যদের মানসিক প্রশান্তি ও উন্নতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

শিশুর মেধা ও স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব

বাড়িতে জমে থাকা অকেজো খেলনার সবচেয়ে বড় কুপ্রভাব পড়ে শিশুদের ওপর। বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাঙা খেলনা স্থবিরতার প্রতীক যা শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। এর ফলে শিশুর মেজাজ খিটখিটে হওয়া, জেদ বেড়ে যাওয়া এবং পড়াশোনায় মনোযোগ হারিয়ে ফেলার মতো সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে শিশুর পড়ার টেবিল বা শোয়ার ঘরে এসব বাতিল জিনিস থাকলে তা সরাসরি তাদের মনস্তত্ত্বে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

দান করার ক্ষেত্রে সতর্কতা

অনেকেই জঞ্জাল পরিষ্কারের উদ্দেশ্যে নিজের ঘরের ভাঙা খেলনা অভাবী শিশুদের দান করে দেন। তবে শাস্ত্র মতে, ক্ষতিগ্রস্ত বা অচল কোনো বস্তু দান করা একেবারেই অনুচিত। এতে পুণ্যের বদলে অমঙ্গলের আশঙ্কা বেশি থাকে। কাউকে কিছু উপহার দিতে হলে তা সচল ও সুন্দর হওয়া জরুরি। তাই গৃহের নেতিবাচক শক্তি দূর করতে এসব খেলনা অন্যকে না দিয়ে সরাসরি বাড়ি থেকে সরিয়ে ফেলাই শ্রেয়।

সংসারের সুখ-শান্তি ও শ্রীবৃদ্ধি বজায় রাখতে ঘরের প্রবেশদ্বার, বিছানার নিচ এবং পড়ার ঘর সবসময় জঞ্জালমুক্ত রাখা প্রয়োজন। আবেগের চেয়ে বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত বাতিল জিনিস বিদায় করলে ঘরে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ নিশ্চিত হয়।

এক ঝলকে

  • ভাঙা বা অকেজো খেলনা বাড়িতে নেতিবাচক শক্তি ও স্থবিরতা তৈরি করে।
  • বাস্তুদোষের ফলে শিশুদের পড়াশোনায় অনীহা ও জেদ বাড়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।
  • ক্ষতিগ্রস্ত বস্তু দান করা শাস্ত্রসম্মত নয় এবং এতে অমঙ্গলের ঝুঁকি থাকে।
  • পড়ার ঘর ও শোয়ার ঘর থেকে দ্রুত বাতিল খেলনা সরালে গৃহের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *