শৌচালয়ের সামনে নগ্ন মূর্তি বিতর্ক: ভাঙল পুরসভা, শহরে নতুন চর্চার বিষয় – এবেলা

শৌচালয়ের সামনে নগ্ন মূর্তি বিতর্ক: ভাঙল পুরসভা, শহরে নতুন চর্চার বিষয় – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

কলকাতার এক পাবলিক শৌচালয়ের (Public Toilet) সামনে বসানো একাধিক অদ্ভুত নগ্ন মূর্তি ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। অবশেষে কোনো রকম বিতর্ক বাড়তে না দিয়ে তড়িঘড়ি সেই মূর্তিগুলি ভেঙে ফেলল কলকাতা পুরসভা। রাজ্যের নতুন সরকারের অধীনে প্রশাসনের এই কড়া ও দ্রুত পদক্ষেপ এখন খাস কলকাতায় ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রাক্তন মন্ত্রীর উদ্যোগ ও সাধারণ মানুষের আপত্তি

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উদ্যোগে ও পরিকল্পনায় এই পাবলিক শৌচালয় এবং তার সংলগ্ন এলাকায় সৌন্দর্য্যায়নের অঙ্গ হিসেবে এই মূর্তিগুলি স্থাপন করা হয়েছিল। তবে মূর্তিগুলির অদ্ভুত গড়ন এবং নগ্নতা নিয়ে প্রথম থেকেই স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের একাংশের মধ্যে মৃদু গুঞ্জন ছিল। এতদিন বিষয়টি প্রশাসনের নজরে না এলেও, রাজ্যে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলের পর পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। সাধারণ মানুষ এই মূর্তিগুলির ‘নান্দনিকতা’ ও জনসমক্ষে এর যৌক্তিকতা নিয়ে সরাসরি পুরসভার কাছে লিখিত আপত্তি ও ক্ষোভ জানান।

তড়িঘড়ি পদক্ষেপ পুরসভার

জনসাধারণের আপত্তির কথা মাথায় রেখে এবং শহরের সংস্কৃতি ও শালীনতা বজায় রাখতে কলকাতা পুরসভার বর্তমান কর্তৃপক্ষ কোনো রকম সময় নষ্ট না করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। বিতর্কিত ও আপত্তিকর মূর্তিগুলি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং শনিবারই পুরকর্মীরা গিয়ে সেগুলি গুঁড়িয়ে দেন। পুরসভার এই অনমনীয় ও কড়া অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ নাগরিকদের বড় অংশ। তাদের মতে, সৌন্দর্য্যায়নের নামে এমন কোনো শিল্পকর্মPublic প্লেসে রাখা উচিত নয় যা সাধারণ মানুষের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এক ঝলকে

  • কলকাতার একটি পাবলিক শৌচালয়ের সামনে বসানো অদ্ভুত নগ্ন মূর্তি ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের অবসান ঘটাল পুরসভা।
  • বিগত সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উদ্যোগে এই বিতর্কিত মূর্তিগুলি স্থাপন করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
  • রাজ্যে সরকার বদলের পর মূর্তিগুলির নান্দনিকতা ও শালীনতা নিয়ে সরব হন সাধারণ মানুষ।
  • জনসাধারণের আপত্তির জেরে বিতর্ক আর বাড়তে না দিয়ে দ্রুত মূর্তিগুলি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় পুর কর্তৃপক্ষ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *