সংসদে নীরব অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, দু’বছরে নেই একটিও লিখিত প্রশ্ন
বিচারপতি থাকাকালীন জনস্বার্থের প্রশ্নে সরব থাকলেও, সাংসদ হিসেবে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ২০২৪ সালের অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের পর প্রায় দু’বছর অতিক্রান্ত হলেও তমলুকের এই বিজেপি সাংসদ সংসদে একটিও লিখিত প্রশ্ন জমা দেননি। তাঁর নির্বাচনী এলাকার পরিকাঠামো, কৃষি বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত সমস্যার বিষয়ে সংসদে তাঁর এই নীরবতা স্থানীয় ভোটারদের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
সাংসদ হিসেবে সক্রিয়তার অভাব ছাড়াও একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছেন অভিজিৎ। লোকসভায় নিজের প্রথম ভাষণেই কংগ্রেস সাংসদকে ‘স্টুপিড’ বলে মন্তব্য করায় তাঁর বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হয়। এছাড়া, গত বছর শীতকালীন অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীকে ‘নরেন্দ্র বাজপেয়ী’ বলে সম্বোধন করে সমাজমাধ্যমে হাসির খোরাক হন তিনি। একই জেলার কাঁথি পূর্বের সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারীও গত দুই বছরে মাত্র ১৫টি লিখিত প্রশ্ন করেছেন।
বিজেপির অন্যান্য সাংসদদের মধ্যেও সক্রিয়তার এই তারতম্য স্পষ্ট। উত্তরবঙ্গের মনোজ টিগ্গা ও কার্তিক পাল যথাক্রমে মাত্র দুটি ও পাঁচটি প্রশ্ন করেছেন। তবে এর বিপরীতে ব্যতিক্রমী ভূমিকা নিয়েছেন মালদহ উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু, যিনি ২২০টি লিখিত প্রশ্ন করেছেন। এছাড়া রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য ১৮৫টি এবং দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা ১১০টি প্রশ্ন করে সংসদীয় সক্রিয়তায় নজির গড়েছেন।

