সখী নয় বরং জীবনসাথী হওয়ার জেদ দুই তরুণীর, ঘরোয়া বিবাদে শেষমেশ ডাকতে হলো সালিশি সভা! – এবেলা

সখী নয় বরং জীবনসাথী হওয়ার জেদ দুই তরুণীর, ঘরোয়া বিবাদে শেষমেশ ডাকতে হলো সালিশি সভা! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, আর সেই প্রেমের টানেই বিয়ের দাবিতে অনড় উত্তরপ্রদেশের দুই তরুণী। গত দুই বছর ধরে চলে আসা এই গভীর সম্পর্ক সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ডিডৌলি ও গজরৌলা এলাকায়। এক আত্মীয়ের বাড়িতে পরিচয়ের পর থেকে তাদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল, যা শেষ পর্যন্ত পরিণয়ের দাবিতে রূপ নেয়। বুধবার সকালে এক তরুণী অন্যজনের বাড়িতে পৌঁছে বিয়ের জেদ ধরলে বিষয়টি পারিবারিকভাবে বড় আকার ধারণ করে।

সামাজিক টানাপোড়েন ও পঞ্চায়েতি হস্তক্ষেপ

দুই তরুণীর এই ঘোষণা পরিবারের সদস্যরা মেনে নিতে অস্বীকার করলে শুরু হয় চরম হট্টগোল। পরিস্থিতি সামলাতে শেষ পর্যন্ত দুই পরিবারের আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি জরুরি সালিশি সভা বা পঞ্চায়েত ডাকা হয়। সেখানে দীর্ঘ আলোচনার পর এবং সামাজিক চাপের মুখে গজরৌলার তরুণীকে বুঝিয়ে তার নিজ বাড়িতে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হন পরিবারের সদস্যরা। আপাতত বিষয়টি ঘরোয়াভাবে মেটানো হলেও দুই তরুণীর এমন সিদ্ধান্তে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

আইনি প্রেক্ষাপট ও বর্তমান পরিস্থিতি

স্থানীয় ডিডৌলি থানা পুলিশ জানিয়েছে যে, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। থানা পরিদর্শক অজয় কুমারের মতে, বিষয়টি সম্পূর্ণ সামাজিক ও পারিবারিক স্তরে থাকায় পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। মূলত রক্ষণশীল সামাজিক কাঠামোর কারণে দুই পরিবারই আইনি জটিলতা এড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে তরুণীদের এই অবাধ্য জেদ ভবিষ্যতে নতুন কোনো আইনি বা সামাজিক বিতর্কের জন্ম দেবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

এক ঝলকে

  • উত্তরপ্রদেশের দুই তরুণী দীর্ঘ দুই বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর একে অপরকে বিয়ের ঘোষণা দিয়েছেন।
  • পরিবারের পক্ষ থেকে বাধা আসায় তরুণীরা দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
  • কোনো পুলিশি অভিযোগ ছাড়াই সালিশি সভার মাধ্যমে তরুণীদের সাময়িকভাবে আলাদা করা হয়েছে।
  • সামাজিক ও পারিবারিক সম্মানের কথা চিন্তা করে বিষয়টি ঘরোয়াভাবে নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *