সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের ভ্রূকুটি, ওলটপালট হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া! – এবেলা
/indian-express-bangla/media/media_files/2024/10/24/pJE0jtGOYu9HciCFGYOt.jpg?ssl=1)
এবেলা ডেস্কঃ
পূর্ব ও মধ্য বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ দানা বাঁধছে একটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চ তাপমাত্রা এবং বায়ুমণ্ডলের অনুকূল পরিস্থিতির কারণে সাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে চলেছে। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় উত্তরপ্রদেশ সংলগ্ন এলাকার একটি ঘূর্ণাবর্ত বর্তমানে উত্তর ঝাড়খণ্ড ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অবস্থান করছে। এই জোড়া ফলার প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প বঙ্গে প্রবেশ করায় আগামী এক থেকে দুই দিন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে ভাসতে পারে।
উপকূলে সতর্কতা ও মৎস্যজীবীদের নিষেধাজ্ঞা
সাগরে তৈরি হওয়া এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর ওড়িশা উপকূল সংলগ্ন সমুদ্রে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে, যার গতিবেগ সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। এই উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে মৎস্যজীবীদের আগামী কয়েকদিন সমুদ্রে যাওয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদেরও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি
দুর্যোগের এই প্রাথমিক ধাক্কা কেটে যাওয়ার পর, আগামী ৩ জুনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার বড়সড় উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে অবশ্য বৃষ্টির ধারা বজায় থাকবে। আগামী ২ ও ৩ জুন উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সাগরের এই ঘূর্ণাবর্তের তীব্রতা কতটা বৃদ্ধি পায় এবং এটি কোন অভিমুখে অগ্রসর হয়, তার ওপরেই নির্ভর করছে আগামী দিনগুলোতে সমগ্র পূর্ব ভারতের আবহাওয়ার গতিপথ।
