লেটেস্ট নিউজ

সাবধান! ভুল করেও এই ৪ ধরনের মানুষ দেখবেন না হোলিকা দহন – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

আজ ফাল্গুনী পূর্ণিমা। অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে শুভ শক্তির জয়ের কামনায় দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে হোলিকা দহন। তবে শাস্ত্রীয় নিয়ম এবং স্বাস্থ্যগত কারণ মিলিয়ে নির্দিষ্ট কয়েক শ্রেণীর মানুষের জন্য এই অগ্নিকুণ্ড দেখা অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয়। আপনি কি সেই তালিকায় আছেন? দেখে নিন এখনই।

নববিবাহিত দম্পতি

লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, বিয়ের পর প্রথম হোলিকা দহন নববধূর দেখা উচিত নয়। প্রচলিত পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, হোলিকার দহন একটি মৃত্যুবিহ্বল ঘটনার প্রতীক। তাই নতুন দাম্পত্য জীবনে কোনো অমঙ্গলের ছায়া যাতে না পড়ে, সেই কারণে নববিবাহিতাদের এই দিনটিতে বাপের বাড়ি থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

গর্ভবতী মহিলা

গর্ভবতী মহিলাদের জন্য হোলিকা দহনের চড়া তাপ এবং ধোঁয়া শারীরিক অস্বস্তির কারণ হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, আগুনের তীব্র উত্তাপ এবং ধোঁয়ায় থাকা কার্বন গর্ভস্থ সন্তানের জন্য ক্ষতিকর। তাই ধর্মীয় ও স্বাস্থ্যগত— উভয় দিক থেকেই গর্ভবতী নারীদের নিরাপদ দূরত্বে থাকাই শ্রেয়।

শাশুড়ি ও পুত্রবধূ

বাংলার বাইরে অনেক জায়গায় প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে যে, শাশুড়ি এবং পুত্রবধূর একসাথেই হোলিকা দহন দেখা বা পূজা করা উচিত নয়। মনে করা হয়, এর ফলে তাঁদের পারস্পরিক সম্পর্কে তিক্ততা বা কলহ বৃদ্ধি পেতে পারে। পারিবারিক শান্তি বজায় রাখতেই এই প্রাচীন নিয়ম মেনে চলা হয়।

নবজাতক শিশু

একেবারে ছোট শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কম থাকে। আগুনের ধোঁয়া এবং আশপাশের ভিড় থেকে তাদের ফুসফুসে সংক্রমণ বা অ্যালার্জি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। তাই শিশুদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই তাদের এই অনুষ্ঠান থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *