সোনা পাপ্পুকাণ্ডে ইডির সাঁড়াশি অভিযান, জয় কামদারের চ্যাট খুলতেই ফেঁসে গেলেন শহরের দুই ব্যবসায়ী – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
সোনা পাপ্পু মামলার তদন্তে শহরজুড়ে ফের ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। রবিবার সাতসকালে আনন্দপুর ও আলিপুরের অভিজাত এলাকায় হানা দিয়ে তদন্তকারীরা আর্থিক লেনদেনের নতুন কিছু যোগসূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। এর আগে এই মামলায় ধৃত ব্যবসায়ী জয় কামদারের থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।
হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ও নতুন যোগসূত্র
তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত জয় কামদারের মোবাইল থেকে উদ্ধার হওয়া হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট বিশ্লেষণ করে আনন্দপুরের কল্যাণ শুক্লা এবং আলিপুরের সঞ্জয় কানোরিয়ার নাম উঠে আসে। এই দুই ব্যবসায়ীর সঙ্গে জয় কামদারের বড় অঙ্কের সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। সেই যোগসূত্রের সন্ধানেই এদিন সকালে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে দুই ব্যবসায়ীর ডেরায় তল্লাশি শুরু করেন ইডি আধিকারিকরা।
তদন্তের পরিধি ও গভীর রহস্য
সোনা পাপ্পু মামলায় প্রভাবশালীদের যোগসাজশ খতিয়ে দেখতে এর আগেও একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। ইতিপূর্বে পুলিশ কর্তা শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের বাড়িতেও হানা দিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক ধারণা, এই চক্রের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ কালো টাকা হাতবদল করা হয়েছে। আজকের অভিযানে উদ্ধার হওয়া নথিপত্র এবং ডিজিটাল প্রমাণাদি এই মামলার নেপথ্যে থাকা মূল চক্রীদের শনাক্ত করতে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।
এক ঝলকে
- সোনা পাপ্পু মামলায় রবিবার সকাল থেকে আনন্দপুর ও আলিপুরে ইডি-র বড়সড় অভিযান।
- ধৃত জয় কামদারের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের সূত্র ধরে কল্যাণ শুক্লা ও সঞ্জয় কানোরিয়ার বাড়িতে তল্লাশি।
- এর আগে এই মামলায় এক পুলিশ কর্তার বাড়িতেও অভিযান চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা।
- আর্থিক লেনদেনের গভীর রহস্য ও প্রভাবশালীদের যোগসাজশ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
