স্ত্রী গুটখা খেতেন যা স্বামী পছন্দ করতেন না, বাধা দিতেই এমন কান্ড ঘটালেন যে পুরো এলাকায় তোলপাড় – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
হিমাচল প্রদেশে এক চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে স্ত্রীকে ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত হেমন্তের দাবি, তার স্ত্রী নিয়মিত গুটখা খেতেন যা তিনি পছন্দ করতেন না এবং এই নিয়েই ঝগড়ার জেরে তিনি স্ত্রীকে হত্যা করেছেন। তবে প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ এই দাবি পুরোপুরি মেনে নিতে পারছে না। পুলিশের অনুমান, গুটখা খাওয়ার বিষয়টি একটি অজুহাত মাত্র; মূলত পরকীয়ার সন্দেহ থেকেই এই নৃশংস কাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
দাম্পত্য কলহ ও সন্দেহের বাতাবরণ
তদন্তে জানা গেছে, দম্পতির এটি দ্বিতীয় বিবাহ ছিল। অভিযুক্ত স্বামী হেমন্ত কোনো কাজ করতেন না এবং মদ্যপানে আসক্ত ছিলেন, অন্যদিকে তার স্ত্রী মানুষের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাতেন। হেমন্তের অভিযোগ ছিল যে তার স্ত্রী সারাক্ষণ মোবাইলে কথা বলতেন, যা থেকে মনে দানা বাঁধে তীব্র সন্দেহ। এই নিয়ে দীর্ঘদিনের অশান্তির জেরে স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে গেলেও মাত্র দশ দিন আগে পঞ্চায়েতের মাধ্যমে আপস করে তাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।
পেশাদার অপরাধীর মতো পলায়ন
হত্যার পর হেমন্ত ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে পালিয়ে যান এবং পরে নিজেই আত্মীয়দের ফোন করে খুনের কথা জানান। পুলিশ মনে করছে, অভিযুক্ত নিজের বেকারত্ব ও মদ্যপান নিয়ে স্ত্রীর প্রতিবাদ সহ্য করতে পারতেন না, যা থেকে পারিবারিক সহিংসতা চরম রূপ নেয়। এই ঘটনাটি স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত মোটিভ উদ্ঘাটনে আরও জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে।
এক ঝলকে
গুটখা খাওয়ার অজুহাতে স্ত্রীকে ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন অভিযুক্ত হেমন্ত।
পুলিশি জেরায় উঠে এসেছে স্ত্রীর মোবাইল ব্যবহার নিয়ে স্বামীর তীব্র সন্দেহ ও পরকীয়ার অভিযোগ।
অভিযুক্ত স্বামী কোনো কাজ করতেন না এবং মদ্যপানে আসক্ত ছিলেন, যার প্রতিবাদ করতেন স্ত্রী।
ঘটনার ১০ দিন আগে পঞ্চায়েতের হস্তক্ষেপে স্ত্রী বাপের বাড়ি থেকে ফিরেছিলেন।
