১৫ বছরে সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাস হয়েছে মা-বোনেদের উপর! নিরাপত্তায় আমূল পরিবর্তনের অঙ্গীকার বিজেপির – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
গত দেড় দশকে বাংলার নারী সুরক্ষা ও নিরাপত্তার অবনতি নিয়ে সরব হয়েছে রাজনৈতিক মহল। বিশেষ করে আরজি কর থেকে সন্দেশখালি—একাধিক সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ রাজ্যের নারী নির্যাতনের এক ভয়াবহ চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে। বিরোধী শিবিরের দাবি, বর্তমান প্রশাসনের অধীনে গত ১৫ বছরে মায়েদের ও বোনদের ওপর হওয়া সন্ত্রাসের মাত্রা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলার আমূল পরিবর্তন এবং নারীদের নির্ভয়ে চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টি এখন রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
নিরাপত্তাহীনতা ও প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা
রাজ্যের বর্তমান শাসকদলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে নারীদের সন্ধ্যা সাতটার পর ঘরের বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সমালোচকদের মতে, এই ধরনের বক্তব্য প্রশাসনের ব্যর্থতাকেই আড়াল করার চেষ্টা মাত্র। নারীদের চলাফেরার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ না করে বরং অপরাধীদের দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আরজি কর বা সন্দেশখালির মতো স্পর্শকাতর স্থানে ঘটে যাওয়া অপরাধগুলো সাধারণ মানুষের মনে এক গভীর নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করেছে।
পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি ও আগামীর প্রভাব
এই রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যেই বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে যে, রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন হলে পরিস্থিতির আমূল বদল ঘটবে। তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলার নারীরা মাঝরাতেও নিরাপদে এবং নির্ভয়ে রাস্তায় চলাচল করতে পারবেন। এই ধরনের প্রতিশ্রুতি মূলত সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা ও আস্থার জায়গা থেকে দেওয়া হচ্ছে। যদি এই নিশ্চয়তা সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিতে পারে, তবে আগামী নির্বাচনে নারী ভোটব্যাঙ্ক একটি বড় নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এক ঝলকে
- গত ১৫ বছরে আরজি কর ও সন্দেশখালিসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নারী নির্যাতনের অভিযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।
- বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে নারীদের গতিবিধির ওপর পরোক্ষ বিধিনিষেধ আরোপের অভিযোগ উঠেছে।
- বিজেপি ক্ষমতায় এলে মাঝরাতেও নারীদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার রাজনৈতিক অঙ্গীকার করেছে।
- নারী নিরাপত্তা ইস্যু রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
