‘২০১৬-র রেকর্ডও ভাঙবে!’ নন্দীগ্রামে টোটোয় চড়ে ভোট দিয়ে আত্মবিশ্বাসী বার্তা শুভেন্দুর – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রামের নন্দনায়কবার বুথে টোটোয় চেপে পৌঁছালেন শুভেন্দু অধিকারী। সাধারণ মানুষের মতোই সারিতে দাঁড়িয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তিনি। ভোটকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী মেজাজে দেখা যায় তাঁকে। উপনির্বাচন হওয়া সত্ত্বেও নন্দীগ্রামে রেকর্ড পরিমাণ ভোটদানের আশা প্রকাশ করার পাশাপাশি, ২০১৬ সালের জয়ের রেকর্ড ভেঙে যাওয়ার বড় দাবিও তুলেছেন তিনি।
৯০ শতাংশ ভোটের লক্ষ্য: ভোট কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু জানান, নন্দীগ্রামে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিয়েছেন। সাধারণত উপনির্বাচনে কম ভোট পড়লেও, এবার অন্তত ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ ভোট পড়বে বলে তিনি আশাবাদী। অন্যদিকে, বিধিভঙ্গের অভিযোগে নওদার বিধায়কের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে তাঁর সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া, “আইন মেনে সকলেরই চলা উচিত।”
‘ভাঙবে ২০১৬ সালের জয়ের রেকর্ড’: ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের স্মৃতি উসকে দিয়ে শুভেন্দু স্মরণ করিয়ে দেন, সেবার তিনি ৮২ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস, এবারের উপনির্বাচনে সেই ঐতিহাসিক রেকর্ডকেও ছাপিয়ে যাবে জয়ের মার্জিন।
নন্দীগ্রামের সঙ্গে আমৃত্যু সম্পর্ক: নন্দীগ্রামের মাটির প্রতি তাঁর ভালোবাসার কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “পায়ের জুতো থেকে মাথার চুল পর্যন্ত যেভাবে আগে আমাকে দেখেছে, আগামী দিনেও সেভাবেই দেখবে।” নিজের রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত জীবনে কোনো পরিবর্তন আসবে না দাবি করে তিনি স্পষ্ট জানান, আমৃত্যু নন্দীগ্রামের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম থাকবে এবং প্রতি বছরের মতো জগদ্ধাত্রী পুজোতেও তিনি নন্দীগ্রামে আসবেন।
পটভূমি: উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—উভয় কেন্দ্র থেকে জয়ী হওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে একটি আসন ছাড়তে হয় শুভেন্দুকে। তবে তিনি বরাবরই বলে এসেছেন, নন্দীগ্রামের সঙ্গে তাঁর ‘আত্মার সম্পর্ক’। নন্দীগ্রামের এই উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দুর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথ।
