৫ বছরে টলবে না মসনদ আর রকেটের গতিতে উন্নয়ন, জ্যোতিষী শর্মিষ্ঠার বড় ভবিষ্যৎবাণী!
)
পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে যখন রাজনৈতিক মহলে হাজারো জল্পনা ছিল, তখন নিখুঁত ভবিষ্যৎবাণী করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন জ্যোতিষী শর্মিষ্ঠা। ক্ষমতায় বড়সড় রদবদল এবং নতুন সরকারের উত্থান নিয়ে তাঁর আগের প্রতিটি দাবি অক্ষরে অক্ষরে মিলে গিয়েছে। এবার রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং নতুন গঠিত সরকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও এক চাঞ্চল্যকর পূর্বাভাস দিলেন এই প্রখ্যাত জ্যোতিষী। তাঁর দাবি অনুযায়ী, আগামী কয়েক বছরে বাংলার রাজনৈতিক ও সামাজিক মানচিত্রে আমূল পরিবর্তন আসতে চলেছে।
সরকারের স্থায়িত্ব ও উন্নয়নের জোয়ার
জ্যোতিষী শর্মিষ্ঠার দাবি অনুযায়ী, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন এই নতুন সরকার অত্যন্ত মজবুত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, কোনো রাজনৈতিক অস্থিরতা বা প্রতিকূলতা এই সরকারকে আগামী ৫ বছরের আগে টলাতে পারবে না। অর্থাৎ, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে সরকার পড়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। শুধু তাই নয়, তাঁর ভবিষ্যৎবাণীতে এক উজ্জ্বল অর্থনৈতিক উন্নতির ছবি ফুটে উঠেছে। শর্মিষ্ঠার মতে, রাজ্যে পরিকাঠামো নির্মাণ এবং শিল্পায়নের কাজ ‘রকেটের গতিতে’ এগোবে, যা গত কয়েক দশকের স্থবিরতা কাটিয়ে বাংলাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
অক্টোবর পর্যন্ত অশান্তির কালো মেঘ
উন্নয়ন ও স্থায়িত্বের বার্তা দিলেও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন শর্মিষ্ঠা। গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান বিশ্লেষণ করে তিনি জানিয়েছেন যে, ২০২৬ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত বাংলায় এক অস্থির পরিবেশ বজায় থাকতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় ছোট-বড় রাজনৈতিক সংঘাত বা অশান্তির কালো মেঘ এখনই কাটছে না। তবে এই পরিস্থিতির জন্য সরকারকে দায়ী না করে একে একটি সাময়িক ‘পরিবর্তনের ধকল’ হিসেবেই দেখছেন তিনি। তাঁর মতে, অক্টোবর মাসের পর থেকে রাজ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।
এই ভবিষ্যৎবাণী রাজ্যের সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। একদিকে উন্নয়নের রকেট গতির আশ্বাস যেমন আশার আলো দেখাচ্ছে, অন্যদিকে অক্টোবর পর্যন্ত অশান্তির আশঙ্কা জনমনে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি করেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, জ্যোতিষীর এই দাবিগুলো যদি তাঁর আগের ভবিষ্যৎবাণীর মতো মিলে যায়, তবে আগামী মাসগুলোতে বাংলার রাজনীতিতে এক বড় ধরনের প্রশাসনিক ও সামাজিক বিবর্তন দেখা যাবে।
প্রতিবেদক: বর্তমান ঠাকুর।
