‘অপ্রত্যাশিত ভাষা!’, রাহুল গান্ধীর মন্তব্য ঘিরে সরব বঙ্গ বিজেপি সভাপতি শমীক – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
সংসদে প্রশ্নফাঁসরোধী বিল নিয়ে আলোচনার সময় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। তাঁর ব্যবহার করা শব্দচয়ন ও ভাষা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাহুলকে নিঃশর্ত ক্ষমার দাবি তুলেছে গেরুয়া শিবির। এই পরিস্থিতিতে রাহুল গান্ধীর মন্তব্যকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য।
এদিন শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “আজকে লোকসভার বিতর্কে যে শব্দ, যে ভাষা ব্যবহার করলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, এটা প্রত্যাশিত নয় কোনও সুস্থ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায়। এধরনের কুরুচিকর, অসংসদীয় মন্তব্য থেকে তিনি নিজেকে বিরত রাখলেই পারতেন।”
উল্লেখ্য, বুধবার সংসদে পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট, ২০২৪ সংশোধনী বিল পাস হয়। ওইদিন সংসদে বক্তৃতা রাখার সময় রাহুল গান্ধী এক পড়ুয়ার সঙ্গে কথোপকথনের প্রসঙ্গ টেনে ‘ইডিয়টস’ এবং ‘অন্ধভক্ত’—এই দুটি শব্দ ব্যবহার করেন। তাঁর এই বক্তব্যের পরেই তীব্র আপত্তি জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এবং রাজনাথ সিং। পাশাপাশি, আরএসএস-এর ভূমিকার বিরুদ্ধেও কড়া সুর চড়ান কংগ্রেস সাংসদ।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নরেন্দ্র মোদির গ্যারান্টি এবং প্রশ্নফাঁস নিয়ে চলা আন্দোলন প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “বুঝতে হবে নরেন্দ্র মোদির গ্যারান্টির অর্থ, গ্যারান্টি পূরণ করার অর্থ।” পাশাপাশি রাহুল গান্ধীর মন্তব্য ও ছাত্র আন্দোলন নিয়ে শমীক আরও বলেন, “যাঁরা ছাত্রদের বিভ্রান্ত করতে চাইছিলেন, যাঁরা আন্দোলনের মধ্যে ঢুকে নিজেদের অপ্রাসঙ্গিকতা কাটিয়ে প্রাসঙ্গিক হওয়ার চেষ্টা করছেন, তাদের কাছেও একটা বার্তা গেল। যুবসমাজও বুঝতে পারবে, ছাত্ররাও বুঝতে পারবে, কারা তাদের বিপথে চালিত করতে চাইছিলেন। কারা ঘোলা জলে মাছ ধরতে চাইছিলেন।”
