আপনি কোন বয়সে সাফল্য অর্জন করবেন? আপনার জন্মতারিখের মাধ্যমে নিজের ভবিষ্যৎ জানুন – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
সংখ্যাতত্ত্ব বা নিউমেরোলজি অনুযায়ী মানুষের জীবনের মোড় পরিবর্তনের সময়টি আগেভাগেই অনুমান করা সম্ভব। প্রতিটি মানুষের জন্মতারিখের একক যোগফল বা ‘মূল সংখ্যা’ নির্ধারণ করে দেয় তার জীবনের মাহেন্দ্রক্ষণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মূল সংখ্যা বা ‘রেডিক্স নম্বর’ ব্যক্তির ক্যারিয়ার, সম্পদ এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠার সময়কালকে দারুণভাবে প্রভাবিত করে। ১ থেকে ৯ পর্যন্ত এই সংখ্যাগুলোর প্রতিটিই ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সাফল্যের বার্তা নিয়ে আসে।
সাফল্যের ভিন্ন ভিন্ন ধাপ
সাধারণত যাদের মূল সংখ্যা ১, ২ বা ৩, তাদের জীবনে ২২ থেকে ৩২ বছর বয়সের মধ্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে ৩ মূল সংখ্যার অধিকারীরা ২৭ বছর বয়সের পর যে সাফল্য পান, তা দীর্ঘস্থায়ী হয়। অন্যদিকে, ৪ ও ৮ মূল সংখ্যার ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সাফল্য কিছুটা দেরিতে আসার প্রবণতা দেখা যায়। এদের জন্য জীবনের সোনালী সময় শুরু হয় ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সের মাঝামাঝি সময়ে। তবে এই বিলম্ব সত্ত্বেও তাদের অর্জিত ভিত্তি বেশ মজবুত হয়।
দ্রুত উন্নতি ও আর্থিক সমৃদ্ধি
৫ ও ৯ মূল সংখ্যার অধিকারীরা তুলনামূলক কম বয়সেই ভাগ্যের সহায়তা পান। ৫ মূল সংখ্যার ব্যক্তিরা ২১ থেকে ২৭ বছরের মধ্যেই অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠেন। একইভাবে, ৯ মূল সংখ্যার জাতকদের পেশাগত উন্নতি ২৬ বছর বয়সের পর থেকে দ্রুততর হয়। আবার ৭ মূল সংখ্যার ব্যক্তিদের জীবনে ২৮ থেকে ৩৪ বছরের মধ্যে নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে, যা তাদের বিত্তশালীদের তালিকায় নিয়ে যেতে পারে।
এক ঝলকে
- জন্মতারিখের অঙ্কগুলোর যোগফল বা ‘মূল সংখ্যা’ মানুষের জীবনের টার্নিং পয়েন্ট নির্ধারণ করে।
- ৫ ও ৯ মূল সংখ্যার জাতকরা সাধারণত অল্প বয়সেই দ্রুত আর্থিক সাফল্য অর্জন করেন।
- ৪ ও ৮ মূল সংখ্যার ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে কঠোর পরিশ্রমের পর ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে স্থায়িত্ব আসে।
- ২২ থেকে ৩৫ বছর বয়সকে অধিকাংশ মানুষের জীবনের সাফল্যের প্রধান সময়সীমা ধরা হয়।
