আবারও করোনার আতঙ্ক! দেশে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যু, জারি সর্বোচ্চ সতর্কতা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
বারুইপুরকাণ্ড বা অন্যান্য ঘটনার মতোই স্বাস্থ্যক্ষেত্রে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণ। দিল্লি, মুম্বই থেকে শুরু করে অন্ধ্রপ্রদেশ ও কর্নাটক—দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে এই মারণ ভাইরাস। কর্নাটকে আক্রান্তের সংখ্যা ৩২ ছাড়িয়েছে এবং অন্ধ্রপ্রদেশে আটজন আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি দু’জনের মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত হয়েছে। এমনকি মুম্বইতে গায়ক জান কুমার শানুও কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নড়েচড়ে বসেছে স্বাস্থ্য দফতর। ওড়িশাসহ প্রতিটি রাজ্যকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আবার কি ফিরছে সেই ভয়াবহ দিন? ২০২০ সালের স্মৃতি এখনও অনেকের মনে টাটকা। ২০২২ সালের পর গণ-টিকাকরণের ফলে করোনা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এলেও, সাম্প্রতিক এই খবর সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে শঙ্কা দানা বেঁধেছে। তবে চিকিৎসকরা এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁদের মতে, টিকাকরণের ফলে মানুষের শরীরে যে ‘হাইব্রিড ইমিউনিটি’ গড়ে উঠেছে, তা বড় ধরনের মহামারীর হাত থেকে সুরক্ষা দিতে সক্ষম। তবে যারা কো-মর্বিডিটি বা পুরনো অসুখে ভুগছেন, তাঁদের বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
কী কী উপসর্গ দেখে সতর্ক হবেন?
- জ্বর, একটানা শুকনো কাশি এবং গলা ব্যথা।
- নাক বন্ধ বা সর্দি-কাশি।
- অতিরিক্ত শারীরিক দুর্বলতা ও সারা শরীরে ব্যথা।
- প্রচণ্ড মাথাব্যথা বা বমি বমি ভাব।
- রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৩ শতাংশের নিচে নেমে যাওয়া বা শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সতর্কতাই সেরা সুরক্ষা: আতঙ্কিত না হয়ে সচেতনতাই এখন বড় হাতিয়ার। জনবহুল স্থানে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন, নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস বজায় রাখুন এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। পরিবারের কারও উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত তাঁকে আইসোলেশনে রাখুন। মনে রাখবেন, সচেতনতাই এই সংক্রমণ রুখতে শ্রেষ্ঠ সুরক্ষা।
