আমি ভালোই আয় করি, কিন্তু সেটাই যথেষ্ট! বছরে ৮০ লক্ষ টাকা আয় করেও ৫০০০ টাকার বিল ভাগাভাগি নিয়ে ভাঙল সম্পর্ক – এবেলা

আমি ভালোই আয় করি, কিন্তু সেটাই যথেষ্ট! বছরে ৮০ লক্ষ টাকা আয় করেও ৫০০০ টাকার বিল ভাগাভাগি নিয়ে ভাঙল সম্পর্ক – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

বার্ষিক ৮০ লক্ষ টাকা উপার্জনকারী ৩৬ বছর বয়সী এক পেশাদার নারীর সাম্প্রতিক একটি ডেটিং অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ঝড়ের সৃষ্টি করেছে। একটি ঘটকালি পরিষেবার মাধ্যমে পরিচিত হওয়া ব্যক্তির সঙ্গে তৃতীয়বার সাক্ষাতের পর ২,৫০০ টাকার বিল পরিশোধকে কেন্দ্র করে এই বিতর্কের সূত্রপাত। ওই নারী স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিষয়টি অর্থের নয় বরং ওই ব্যক্তির মানসিকতার।

হিসাবি মনোভাব বনাম মানসিক তৃপ্তি
প্রথম দুই সাক্ষাতে সঙ্গী বিল পরিশোধ করলেও তৃতীয়বার ৫,০০০ টাকার বিল আসার পর ওই ব্যক্তি খরচ সমানভাবে ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাব দেন। যদিও ওই নারী হাসিমুখেই নিজের অংশের টাকা মিটিয়ে দেন, কিন্তু পরদিনই তিনি ঘটকের মাধ্যমে সম্পর্কটি শেষ করার কথা জানিয়ে দেন। তার মতে, সঙ্গী তার পেছনে অর্থ খরচ করার বিষয়ে যথেষ্ট দ্বিধান্বিত ছিলেন, যা একজন জীবনসঙ্গী হিসেবে কাম্য নয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনাটি সামনে আসতেই নেটিজেনরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। একদল মনে করছেন, আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার অর্থ এই নয় যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আবেগীয় গুরুত্ব থাকবে না; বরং সঙ্গীর উদারতা থাকা জরুরি। অন্যদিকে সমালোচকদের দাবি, সমানাধিকারের যুগে বিল ভাগ করাটা স্বাভাবিক এবং উচ্চ আয়ের নারীর এমন সিদ্ধান্তকে তারা ‘ভণ্ডামি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

সম্পর্কের সমীকরণ ও প্রভাব
এই বিতর্কের মূল কেন্দ্রে রয়েছে আধুনিক সম্পর্কের মনস্তাত্ত্বিক দিক। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ঘটনা প্রমাণ করে যে আধুনিক নারীরা কেবল আর্থিক সচ্ছলতা নয়, বরং সঙ্গীর মানসিক সমর্থন ও আতিথেয়তাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। অন্যদিকে পুরুষদের একাংশ মনে করছেন, স্বাবলম্বী হওয়ার দাবি করলে খরচের সমান অংশীদারিত্ব মেনে নেওয়াও দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

এক ঝলকে

  • বার্ষিক ৮০ লক্ষ টাকা উপার্জনকারী এক নারী ২,৫০০ টাকার বিল ভাগাভাগি করায় ডেটিং সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদ করেছেন।
  • ওই নারীর দাবি, বিষয়টি টাকার নয় বরং সঙ্গীর কৃপণ মানসিকতা বা দ্বিধার কারণে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
  • প্রথম দুই ডেটে পুরুষটি বিল দিলেও তৃতীয়বার বিল ভাগ করার প্রস্তাব দেওয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনা সমতা ও সম্পর্কের নৈতিকতা নিয়ে বড় ধরনের তর্কের জন্ম দিয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *