আমেরিকার শীর্ষ প্রশাসনে মহাবিপাকে কাশ প্যাটেল, এফবিআই প্রধানের পদ খোয়ানোর প্রবল সম্ভাবনা! – এবেলা

আমেরিকার শীর্ষ প্রশাসনে মহাবিপাকে কাশ প্যাটেল, এফবিআই প্রধানের পদ খোয়ানোর প্রবল সম্ভাবনা! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

ইরানের সাথে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই মার্কিন প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদলের ইঙ্গিত মিলছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) প্রধান কাশ প্যাটেলকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে হোয়াইট হাউস। দীর্ঘ ১৪ মাস দায়িত্বে থাকার পর তাঁর বিরুদ্ধে আসা একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। এর আগে নৌবাহিনী সচিব জন ফেলন ও অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডির মতো শীর্ষ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়ার পর প্যাটেলের নাম আসায় ট্রাম্প প্রশাসনে অস্থিরতা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

বিতর্কিত আচরণ ও গুরুতর অভিযোগ

পলিটিকো ও দ্য ইন্টারসেপ্ট-এর মতো সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, কাশ প্যাটেলের বিরুদ্ধে অনিয়মিত আচরণ এবং অতিরিক্ত মদ্যপানের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে যে, তাঁর কাজের ধরন নিয়ে এফবিআই কর্মীরাও উদ্বিগ্ন। এমনকি প্যাটেল নিজেই অতীতে দুবার মদ্যপ অবস্থায় গ্রেফতার হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন—একবার ছাত্রাবস্থায় এবং অন্যবার প্রকাশ্য স্থানে মদ্যপানের অভিযোগে। এই নেতিবাচক সংবাদগুলো ট্রাম্পের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে বলে মনে করছে হোয়াইট হাউস সূত্র।

প্রশাসনিক রদবদলের ধারা

মার্চ মাস থেকে এ পর্যন্ত কমপক্ষে পাঁচজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে হয় বরখাস্ত করা হয়েছে অথবা তাঁরা ইস্তফা দিয়েছেন। কাশ প্যাটেলকে সরিয়ে দিলে তা হবে ট্রাম্পের এই ব্যাপক রদবদল প্রক্রিয়ার অন্যতম বড় চমক। একদিকে যুদ্ধের চাপ এবং অন্যদিকে নিজস্ব প্রশাসনের ভেতরে এই শুদ্ধি অভিযান হোয়াইট হাউসের ভবিষ্যৎ রণকৌশলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি প্রশাসন, তবে প্যাটেল তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এক ঝলকে

  • বিতর্কিত আচরণের দায়ে এফবিআই প্রধান কাশ প্যাটেলকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে হোয়াইট হাউস।
  • প্যাটেলের বিরুদ্ধে মদ্যপান ও অপেশাদার আচরণের একাধিক অভিযোগ পৌঁছেছে খোদ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে।
  • গত কয়েকমাসে ট্রাম্প প্রশাসনে অ্যাটর্নি জেনারেল ও নৌবাহিনী সচিবসহ পাঁচজন শীর্ষ পদের পরিবর্তন ঘটেছে।
  • বর্তমান ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে এই পরিবর্তন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তায় উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *