একটাই ট্রেড লাইসেন্সে জোড়া ব্যবসা! কীভাবে মৃত্যুর ফাঁদ তৈরি করছে কলকাতার হোটেল ও বারগুলি? – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
কলকাতার ধর্মতলা, নিউ মার্কেট থেকে শুরু করে ইস্টার্ন মেট্রোপলিটান বাইপাস ও হাওড়ার বাণিজ্যিক ভবনগুলিতে বর্তমানে চরম অনিয়মই যেন প্রধান নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্পত্তি ভাগাভাগি ও শরিকি দ্বন্দ্বে একটি মাত্র ট্রেড লাইসেন্স বা বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করেই চলছে একাধিক হোটেল, রেস্তোরাঁ ও নাইট ক্লাব। ব্রিটিশ আমলের পুরনো জরাজীর্ণ ভবনে বিপজ্জনকভাবে এসি ও বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ানো হলেও হচ্ছে না পরিকাঠামোগত আধুনিকীকরণ। মির্জা গালিব স্ট্রিটের সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ড ফের প্রমাণ করেছে যে, নন্দরাম বা স্টিফেন কোর্টের ভয়াবহ অতীত থেকেও শিক্ষা নেয়নি অধিকাংশ ব্যবসায়ী।
জরুরি প্রয়োজনে বেরোনোর মতো দ্বিতীয় কোনো সিঁড়ি বা পথ না থাকা এবং মেয়াদউত্তীর্ণ অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের ব্যবহারে এই প্রতিষ্ঠানগুলি মূলত এক-একটি জতুগৃহে পরিণত হয়েছে। এমনকী চাঁদনি চক বা বেন্টিংক স্ট্রিটের সংকীর্ণ গলিতে অবস্থিত দাহ্য পদার্থে ভরা ড্যান্স বারগুলিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটলে দমকলের গাড়ি পৌঁছানোও আসাম্ভব। বিভিন্ন হোটেল ও বার সংগঠনের কর্তারাও এই গাফিলতির কথা স্বীকার করে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে একটাই প্রশ্ন—আর কত জীবনহানির পর টনক নড়বে প্রশাসনের?
