ওমান সাগরে ভারতীয় নাবিকসহ জাহাজে ইরানের গুলিবর্ষণ! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
ওমান সাগরে ফের একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। টোগোর পতাকাবাহী ‘এমটি চিরন’ নামক একটি রাসায়নিক পদার্থবাহী জাহাজে ইরানের উপকূল রক্ষী বাহিনী গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার ওমানের সিনাস প্রদেশের উপকূলবর্তী এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এই ঘটনা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।
ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
আক্রান্ত বাণিজ্যিক জাহাজটিতে মোট ১২ জন ভারতীয় নাবিক কর্মরত ছিলেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। রাসায়নিক দ্রব্য বোঝাই জাহাজটি যখন গন্তব্যের দিকে এগোচ্ছিল, তখন অতর্কিতে তেহরানের বাহিনী সেটিকে লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ শুরু করে। যদিও এই হামলায় কোনো প্রাণহানির খবর এখনো পাওয়া যায়নি, তবে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কূটনৈতিক মহলে এই নিয়ে ইতোমধ্যে তোড়জোড় শুরু হয়েছে।
আঞ্চলিক অস্থিরতা ও বাণিজ্যে প্রভাব
বিশেষজ্ঞদের মতে, ওমান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ইরানের এমন আক্রমণাত্মক অবস্থান বিশ্ব বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। মূলত কৌশলগত আধিপত্য বিস্তার এবং আন্তর্জাতিক চাপ মোকাবিলায় ইরান প্রায়শই এই রুটে বাণিজ্যিক জাহাজে বাধা সৃষ্টি বা আক্রমণ চালায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ধারাবাহিক হামলার ফলে আন্তর্জাতিক শিপিং রুটগুলোতে বীমার খরচ বৃদ্ধি পেতে পারে এবং পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এক ঝলকে
- ওমান সাগরের সিনাস উপকূলের কাছে টোগোর পতাকাবাহী ‘এমটি চিরন’ জাহাজে ইরানের হামলা।
- আক্রান্ত জাহাজটিতে ১২ জন ভারতীয় নাবিক অবস্থান করছিলেন।
- রাসায়নিক বোঝাই জাহাজটি লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালিয়েছে ইরানের উপকূল রক্ষী বাহিনী।
- এই হামলার ফলে ওমান সাগর ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক নিরাপত্তার সংকট প্রকট হয়েছে।
