গরমে হাঁসফাঁস সমতল! মানালি থেকে চামোলিতে উপচে পড়া ভিড় আর যানজট – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহ থেকে বাঁচতে পাহাড়মুখী পর্যটকদের ঢলে হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে এখন তিল ধারণের জায়গা নেই। শিমলা, মানালি, ধর্মশালা থেকে শুরু করে উত্তরাখণ্ডের বদ্রীনাথ ও চামোলির মতো এলাকায় রেকর্ড সংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটেছে। সমতলের চড়া রোদ এড়িয়ে পাহাড়ি তুষারপাত ও মনোরম আবহাওয়ার স্বাদ নিতে গিয়ে আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন পর্যটকরা।
তীব্র যানজট ও আবাসন সংকট
হঠাৎ করে এই বিপুল পর্যটকের চাপে পার্বত্য অঞ্চলের স্বাভাবিক ট্রাফিক ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তায় মাইলের পর মাইল দীর্ঘ গাড়ির লাইন তৈরি হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক উভয়কেই চরম যানজটের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। শুধু রাস্তাতেই নয়, পাহাড়ি শহরগুলির হোটেল, লজ এবং হোমস্টেগুলিতেও কোনও ঘর খালি নেই। আগে থেকে বুকিং না করে শুধুমাত্র ছুটি কাটাতে আসা পর্যটকরা চরম বিপাকে পড়ছেন।
প্রশাসনের হিমশিম দশা ও স্থানীয় অর্থনীতি
পর্যটকদের এই বিপুল উপস্থিতিতে গত কয়েক বছরের মন্দা কাটিয়ে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায় বড়সড় জোয়ার এসেছে। ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটলেও, উপচে পড়া এই ভিড় সামাল দিতে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ ও প্রশাসনকে আক্ষরিক অর্থেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। যানজট নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পর্যটকদের আগাম বুকিং ছাড়া পাহাড়ে আসতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। মূলত সমতলের অসহনীয় গরমের কারণেই এই ভিড়, আর স্কুল-কলেজে গরমের ছুটি আরও কিছুদিন থাকায় পাহাড়ে পর্যটকদের এই রমরমা এবং আনুষঙ্গিক যানজটের ভোগান্তি সহসাই কমবে না বলেই পরিস্থিতি নির্দেশ করছে।
