চাল ধোয়া জল ফেললেই মহাবুল! কাঁচের মতো চকচকে ত্বক আর রেশমি চুল পাওয়ার গোপন রহস্য – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
September 1, 202612:33 pm
সাধারণত চাল ধোয়ার পর সেই জল আমরা আর কোনো কাজে লাগাই না, ফেলে দিই। তবে রূপচর্চার জগতে এটি এখন এক জাদুকরী উপাদান। বিশেষ করে কোরিয়ানদের মতো ‘গ্লাস স্কিন’ বা কাঁচের মতো নিখুঁত ও উজ্জ্বল ত্বক পেতে চালের জলের ব্যবহার জুড়ি মেলা ভার। শুধু ত্বকই নয়, ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্বল চুলের স্বাস্থ্য ফেরাতেও এটি দারুণ কার্যকরী।
কীভাবে তৈরি করবেন ফারমেন্টেড চালের জল? প্রথমে চাল ভালোভাবে ধুয়ে ৩০ মিনিট জলে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর চাল থেকে জল ছেঁকে আলাদা করে পাত্রে রেখে দিন। এই জল ঘরের সাধারণ তাপমাত্রায় ২-৩ দিন রেখে দিলেই তা ফারমেন্টেড বা গাঁজানো জলে পরিণত হবে। ফারমেন্টেশনের ফলে এর মধ্যে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মতো পুষ্টিগুণের কার্যকারিতা বহুগুণ বেড়ে যায়। পাশাপাশি তৈরি হয় ‘পিটেরা’ নামক ফারমেন্টেড ইস্ট, যা ত্বকের নতুন কোষ গঠনে সাহায্য করে।
ব্যবহারের নিয়ম ও উপকারিতা:
- ন্যাচারাল ফেস টোনার: গোলাপজল বা মধুর বদলে ফারমেন্টেড রাইস ওয়াটারকে প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। মুখ ধোয়ার পর তুলো (কটন প্যাড) দিয়ে এটি মুখে লাগিয়ে নিলে ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল হয়।
- প্রাক-শ্যাম্পু হেয়ার ট্রিটমেন্ট: চুল পড়া ও চুল ভেঙে যাওয়া কমাতে শ্যাম্পু করার ১৫ মিনিট আগে মাথায় ফারমেন্টেড চালের জল স্প্রে করুন। এরপর হালকা হাতে মাথার ত্বক স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করে চুল ধুয়ে শ্যাম্পু করে নিন।
- অ্যান্টি-এজিং শিট মাস্ক: সুতির পাতলা কাপড়ে বা কটন প্যাডে এই জল ভিজিয়ে ১৫-২০ মিনিট মুখে দিয়ে রাখুন। এটি ত্বকের ক্লান্তি দূর করে বয়সের ছাপ কমায় এবং ত্বককে প্রাণবন্ত করে তোলে।
- ন্যাচারাল হেয়ার কন্ডিশনার: শ্যাম্পু করার পর রাসায়নিক কন্ডিশনারের পরিবর্তে এটি চুলে ব্যবহার করতে পারেন। এতে চুল রেশমি, নরম ও উজ্জ্বল হয়।
