‘তারিখ পে তারিখ’ অতীত, ৩ বছরেই চূড়ান্ত বিচার: ভারতের বিচারব্যবস্থায় যুগান্তকারী মোড়!
.jpeg.webp)
ভারতের নতুন তিন ফৌজদারি আইন পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হলে এফআইআর দায়ের করা থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত পুরো বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে সর্বোচ্চ তিন বছরের মধ্যে। শনিবার ভোপালে এক সম্মেলনে এই ঘোষণা দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, ভারতীয় বিচারব্যবস্থায় বহুচর্চিত বিলম্বিত প্রথার অবসান ঘটিয়ে দ্রুত ও আধুনিক বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে চালু হওয়া ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’, ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’ ও ‘ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম’-এ ফরেনসিক তদন্তে প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি নারী সুরক্ষা, গণপিটুনি ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিধান রেখে ব্রিটিশ আমলের ঔপনিবেশিক আইনের পরিবর্তে ভারতীয়দের অধিকার সুরক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
এই সম্মেলনে শাহ আরও স্পষ্ট করেন, নতুন আইনের মূল ভিত্তি হলো শাস্তির বদলে সঠিক ন্যায়বিচার প্রদান করা। এছাড়া মধ্যপ্রদেশকে ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত করার একটি সুনির্দিষ্ট ব্লু প্রিন্ট তুলে ধরেন তিনি। বক্তব্যের শেষাংশে দেশের সমবায় খাতের অগ্রগতির চিত্র টেনে তিনি পূর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে পৃথক সমবায় মন্ত্রক গঠিত হওয়ায় দুগ্ধচাষি ও পশুপালকেরা সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন এবং বাজার থেকে মধ্যস্বত্বভোগীদের দাপট সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে।
