তৃণমূলে মহাধস! এবার দিল্লিতে বিজেপি মন্ত্রীর দরবারে সুদীপ-শতাব্দী, কুণাল বললেন ‘এটাই মমতার প্রাপ্য’ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
নয়াদিল্লি: ২৬-এর নির্বাচনের ধাক্কা সামলানোর আগেই তৃণমূল কংগ্রেসে এবার যমজ ধাক্কা! অনুব্রত মণ্ডলের বিস্ফোরক মন্তব্যের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সরাসরি দিল্লির দরবারে পৌঁছে গেলেন কলকাতা উত্তরের প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার রাজধানী দিল্লিতে আর এক ‘বেসুরো’ তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের সঙ্গে এক গাড়িতে দেখা গেল তাঁকে। সেখান থেকে তাঁরা সোজা পৌঁছে যান বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে।
সূত্রের খবর, দিল্লি বিমানবন্দর থেকে নেমে শতাব্দী রায়ের সঙ্গে একই গাড়িতে চড়ে সোজা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়িতে যান সুদীপ। সেখানে তাঁদের মধ্যে একপ্রস্থ বৈঠকও হয়েছে। শতাব্দী রায় আগেই বিদ্রোহী শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন, এবার সেই তালিকায় জুড়ল সুদীপের নামও। শুধু তাই নয়, সুদীপ-পত্নী তথা তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ও এখন চরম ‘বেসুরো’। ফলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও যে এবার জোড়াফুল ছেড়ে পদ্ম শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।
‘বিশ্বাসঘাতকতার’ চরম খোঁচা কুণালের:
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই দলবদলের জল্পনা ছড়াতেই তৃণমূল শিবিরে তীব্র ক্ষোভ ও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ তীব্র আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “অনেকের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্ধের মতো বিশ্বাস করে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বড় পদ দিয়েছিলেন। অথচ দলের দক্ষ কর্মীরা জায়গা পাননি। ওঁর জন্যই তাপস রায়, সজল ঘোষদের মতো নেতাদের দল ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে।” একইসঙ্গে কুণাল ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, সুদীপ যা করছেন, “এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্য।”
বীরভূমে অনুব্রতর বিদ্রোহের পর এবার খোদ কলকাতার প্রবীণ সাংসদের এই দিল্লি যাত্রা ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে হারা তৃণমূলের অন্দরের ফাটলকে কার্যত রাজপথে এনে দাঁড় করাল।
