তৃতীয়া থেকেই দুর্গাবাহিনীর টহলদারি, কি কিউআর কোডেই পুলিশ থেকে হাসপাতাল মিলবে যাবতীয় তথ্য – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
পুজোয় শহরজুড়ে আরও কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করেছে সরকার। রাতভর নজরদারি চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০ জন পুলিশ আধিকারিককে এবং ৫০০ কনস্টেবলও মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি, গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে র্যাফ (RAF) মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মহিলাদের নিরাপত্তায় জোর দিতে তৃতীয়া থেকেই জেলায় মোতায়েন করা হবে ‘দুর্গাবাহিনী’।
পুজোয় বিশেষ কিউআর কোডের ব্যবস্থা জেলা পুলিশের
পুজোর ভিড়ে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অত্যন্ত সক্রিয় প্রশাসন। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় পুজোর দিনগুলিতে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, দর্শনার্থীদের যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে সাহায্য করতে বিশেষ কিউআর কোড চালু করেছে জেলা পুলিশ। এই কিউআর কোড স্ক্যান করলেই সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশের হেল্পলাইন নম্বর, অ্যাম্বুলেন্স, হাসপাতাল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে পেয়ে যাবেন সাধারণ মানুষ।
মণ্ডপ পরিদর্শন পুলিশের
বিভিন্ন মণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম ঘোষ সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। এছাড়া মহিলাদের সুবিধার্থে নির্দিষ্ট দূরত্বে বায়ো-টয়লেট এবং বেবি ফিডিং জোনের (শিশুদের স্তন্যপান করানোর জায়গা) ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।
কী কী বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?
মহালয়াতেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুজোর গাইড ম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। দেবীপক্ষেই উদ্বোধন করা হয়েছে ১৯টি নতুন ট্রাফিক কিয়স্কের। পুজোর রাতে শহরজুড়ে টহল দেবে ১৫৯টি মোটরবাইক টিম। এছাড়াও ৬৫টি সহায়তা বুথ এবং ৪৩টি পয়েন্টে নাকা চেকিং চালানো হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
সাইবার অপরাধ রুখতে ৪৪টি সাইবার ওয়ালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পঞ্চমী থেকেই খড়গপুর ও মেদিনীপুর শহরে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু হয়ে যাবে। যান নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে পুলিশ সুপার জানান, দুপুর ৩টের পর শহরে কোনো বড় গাড়ি ঢুকতে দেওয়া হবে না। এর পাশাপাশি নেশা বিরোধী সচেতনতামূলক প্রচারও চালানো হবে।
