পঞ্চমী ফুরোতেই কি অ্যাকাউন্টে ঢুকবে অন্নপূর্ণার টাকা? জেনে নিন পুজোর মাসের বড় আপডেট! – এবেলা

পঞ্চমী ফুরোতেই কি অ্যাকাউন্টে ঢুকবে অন্নপূর্ণার টাকা? জেনে নিন পুজোর মাসের বড় আপডেট! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

দুর্গাপুজোর আনন্দের মাঝেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে জনপ্রিয় সরকারি প্রকল্প ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ নিয়ে। গত মাসেই এই প্রকল্পের সুবাদে রাজ্যের প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ মহিলা আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকেই বাংলার মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই প্রকল্পের ৩০০০ টাকা করে ক্রেডিট হতে শুরু করেছিল। তবে বর্তমানে পুজো শুরু হয়ে যাওয়ায় এবং পঞ্চমীর দিন পেরিয়ে গেলেও চলতি মাসের টাকা এখনও অ্যাকাউন্টে না আসায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বহু উপভোক্তার কপালে।

পুজোয় কবে ঢুকবে অন্নপূর্ণার টাকা?

সাধারণত প্রতি মাসেই ১৫ তারিখের পর থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ঢোকা শুরু হয়। চলতি অক্টোবর মাসে দুর্গাপুজো পড়েছে, যেখানে আগামী ১৭ তারিখেই পড়েছে মহাস ষষ্ঠী। ফলে পুজোর আবহেও কি চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহেই ভাতার টাকা ঢুকবে? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনে।

প্রশাসনের তরফ থেকে এখনও নিশ্চিতভাবে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা না হলেও, জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে যে ষষ্ঠীর আগেই প্রকল্পের টাকা মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যেতে পারে।

সরকারের আগের ঘোষণা এবং সূত্রের খবর

এর আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন যে, প্রতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা মহিলাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো শুরু হবে। সেই নিয়ম অনুযায়ী, পুজোর মাস হওয়ায় যাতে সাধারণ মানুষের উৎসবের আনন্দ মাটি না হয়, সেজন্য দেরি না করে আগেভাগেই টাকা ছাড়ার কথা ভাবা হতে পারে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই মাসের ১৭ তারিখের মধ্যেই টাকা ঢুকে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

কী জানিয়েছেন মন্ত্রী মালতী রাভা রায়?

যদিও এই বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও চূড়ান্ত কোনো বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি, তবুও পুজোর মাসে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা প্রসঙ্গে ইতিপূর্বে মন্ত্রী মালতী রাভা রায় জানিয়েছিলেন যে, “ধরেই নিন এর পরে তৃতীয় সপ্তাহ থেকেই শুরু হবে। দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ওই টাকা মিলবে।” এখন দেখার বিষয়, পুজোর এই আনন্দঘন সময়ে রাজ্য সরকার ঠিক কবে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা উপভোক্তাদের হাতে তুলে দেয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *