পাসপোর্ট পেতে পকেট থেকে খসবে বেশি টাকা! ১ জুলাই থেকে কার্যকর নতুন ফি-র তালিকা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
নয়াদিল্লি: পাসপোর্ট তৈরির কথা ভাবছেন? তাহলে হাতে সময় থাকতেই আবেদন সেরে ফেলুন। দীর্ঘ ১৪ বছর পর ভারতীয় পাসপোর্টের আবেদন মূল্য ও পুনর্নবীকরণের (রিস্যু) ফি এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়াল কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রক। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন এই বর্ধিত ফি কার্যকর হতে চলেছে।
২০ জুন পাসপোর্ট আইনের ২৪ নম্বর ধারার অধীনে এই নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র। দেখে নিন কোন ক্ষেত্রে এখন থেকে কত টাকা খরচ হবে:
এক নজরে নতুন ফি তালিকা (টাকায়):
| আবেদনের বিভাগ | সাধারণ স্কিম (নতুন ফি) | তৎকাল স্কিম (নতুন ফি) |
| প্রাপ্তবয়স্ক (৩৬ পাতা) | ২,৫০০ | ৫,০০০ |
| প্রাপ্তবয়স্ক (৬০ পাতা) | ৩,৫০০ | ৬,০০০ |
| নাবালক (৩৬ পাতা) | ১,৭৫০ | ৪,২৫০ |
| ডুপ্লিকেট (৩৬ পাতা – হারিয়ে/নষ্ট) | ৫,০০০ | ৭,৫০০ |
| ডুপ্লিকেট (৬০ পাতা – হারিয়ে/নষ্ট) | ৬,০০০ | ৮,৫০০ |
| নাবালকদের ডুপ্লিকেট পাসপোর্ট | ৪,২৫০ | ৬,৭৫০ |
মূল পরিবর্তনগুলি এক নজরে:
- প্রাপ্তবয়স্কদের পাসপোর্টে খরচ: ৩৬ পাতার সাধারণ পাসপোর্ট তৈরির সরকারি ফি ১,৫০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২,৫০০ টাকা। তৎকাল স্কিমে এই খরচ ৩,৫০০ থেকে বেড়ে ৫,০০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
- হারিয়ে যাওয়া পাসপোর্টের হ্যাপা: পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে ডুপ্লিকেট পাসপোর্ট পাওয়ার খরচ এখন অনেকটাই বেশি। ৩৬ পাতার ডুপ্লিকেট পাসপোর্ট সাধারণ স্কিমে পেতে এখন খরচ হবে ৫,০০০ টাকা।
- অন্যান্য শংসাপত্র: পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (PCC), সারেন্ডার সার্টিফিকেট এবং পরিচয়পত্রের শংসাপত্র (Certificate of Identity)-র ফিও বাড়ানো হয়েছে। ভারতে প্রতিটি সার্টিফিকেটের জন্য এখন থেকে ৭৫০ টাকা থেকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ফি দিতে হবে। বিদেশ থেকে আবেদন করলে এই খরচ ৪০-৫০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত হতে পারে।
কেন এই মূল্যবৃদ্ধি?
সর্বশেষ ২০১২ সালে পাসপোর্টের ফি সংশোধন করা হয়েছিল। বিদেশমন্ত্রকের মতে, পরিকাঠামো ও পরিষেবা আরও উন্নত করতেই দীর্ঘ ১৪ বছর পর এই ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১ জুলাই বা তার পর থেকে যাঁরা পাসপোর্ট বা সংশ্লিষ্ট পরিষেবার জন্য আবেদন করবেন, তাঁদের নতুন নিয়ম মেনেই অনলাইনে পেমেন্ট করতে হবে। তাই নতুন পাসপোর্ট তৈরির পরিকল্পনা থাকলে আবেদনের আগেই এই নতুন খরচের হিসাবটি মাথায় রাখা জরুরি।
