পিরিয়ডের অসহ্য যন্ত্রণা আর দুর্বলতা কাটাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করবে এই সুপারফুডগুলো! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
ঋতুস্রাব বা পিরিয়ড চলাকালীন হরমোনের পরিবর্তনের কারণে নারীদের শরীরে নানাবিধ শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তি দেখা দেয়। তলপেটে ব্যথা, পেশিতে টান এবং চরম ক্লান্তির পাশাপাশি মেজাজ খিটখিটে হওয়া এই সময়ের সাধারণ সমস্যা। বিশেষ করে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে শরীরে আয়রনের যে ঘাটতি তৈরি হয়, তা সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে পূরণ না করলে দীর্ঘমেয়াদী রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই এই দিনগুলোতে শরীরের পুষ্টির চাহিদা মেটানো অত্যন্ত জরুরি।
ব্যথা ও ক্লান্তি দূর করতে সেরা পথ্য
পিরিয়ডের দিনগুলোতে পেশির ক্র্যাম্প বা সংকোচন কমাতে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ কলা এবং ম্যাগনেসিয়াম যুক্ত ডার্ক চকোলেট দারুণ কার্যকরী। ডার্ক চকোলেট শুধু ব্যথা কমায় না, বরং শরীরে ‘ফিল গুড’ হরমোন নিঃসরণ করে মেজাজ ফুরফুরে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া আদা চা জরায়ুর প্রদাহ কমিয়ে প্রাকৃতিকভাবে ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে। ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার যেমন আখরোট বা তিসি বীজ শরীরের অভ্যন্তরীণ অস্বস্তি কমিয়ে আরাম দেয়।
রক্তাল্পতা রোধে আয়রনের গুরুত্ব
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে শরীর যে আয়রন হারায়, তা পুনরুদ্ধারে পাতে নিয়মিত পালং শাক, কচু শাক কিংবা সামুদ্রিক মাছ রাখা প্রয়োজন। মিষ্টি খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা বা ক্রেভিং মেটাতে গুড় খাওয়া যেতে পারে, যা আয়রনের প্রাকৃতিক উৎস। পাশাপাশি শরীরকে আর্দ্র রাখতে পর্যাপ্ত জল পান করা বাধ্যতামূলক; কারণ ডিহাইড্রেশন হলে মাথাব্যথা ও শারীরিক দুর্বলতা আরও বেড়ে যায়। সঠিক পুষ্টি গ্রহণ করলে পিরিয়ডের দিনগুলো অনেক বেশি সহজ ও যন্ত্রণামুক্ত হওয়া সম্ভব।
এক ঝলকে
- আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে পাতে রাখুন পালং শাক, গুড় এবং সামুদ্রিক মাছ।
- পেশির টান ও ব্লটিং কমাতে নিয়মিত পটাশিয়াম সমৃদ্ধ কলা খান।
- মুড সুইং বা মানসিক অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণ করতে ডার্ক চকোলেট ও আদা চা পান করুন।
- মাথাব্যথা ও অস্বস্তি এড়াতে সারাদিন পর্যাপ্ত জল পান করে শরীর হাইড্রেটেড রাখুন।
