প্রেমের পরিণয়ে রক্তক্ষয়ী ট্র্যাজেডি, বলিয়ায় স্ত্রী ও শাশুড়িকে কুপিয়ে মারল পাষণ্ড জামাতা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
উত্তরপ্রদেশের বলিয়া জেলার বছুইপুর গ্রামে এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিজের শ্বশুরবাড়িতে ঢুকে স্ত্রী ও শাশুড়িকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে অমিত গুপ্ত নামের এক যুবক। এই হামলায় গুরুতর আহত শ্বশুর বর্তমানে বারাণসীতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। ২০২২ সালে প্রেমের টানে ঘর ছেড়ে বিয়ে করলেও, চার বছর পর সেই সম্পর্কের এমন বীভৎস পরিণতিতে স্তব্ধ পুরো এলাকা।
সন্তানকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ও অতর্কিত হামলা
নিহত প্রীতির বোন কীর্তির বয়ান অনুযায়ী, শনিবার রাতে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে ঘরে প্রবেশ করে ঘাতক অমিত। কোনো শব্দ যাতে না হয়, সে জন্য জুতো খুলে রেখে সে সরাসরি প্রীতির ঘরে গিয়ে তাদের সন্তানকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। প্রীতি বাধা দিয়ে চিৎকার শুরু করলে অমিত ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। চিৎকার শুনে মা সুশীলা দেবী ও বাবা অন্তু গুপ্ত এগিয়ে এলে অমিত তাদেরও এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। ঘটনাস্থলেই মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়।
ঘটনার নেপথ্যে প্রতিহিংসা ও পারিবারিক কলহ
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করছে, দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিবাদ বা কোনো গোপন প্রতিহিংসা থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার পর পরিবার তাদের মেনে নিলেও জামাতা অমিতের মনে ক্ষোভ দানা বেঁধেছিল। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত অমিত পলাতক। পুলিশ সুপার ওমবীর সিং জানিয়েছেন, ঘাতককে গ্রেপ্তারের জন্য তিনটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য সকল স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
এক ঝলকে
- উত্তরপ্রদেশের বলিয়ায় জামাতার হাতে স্ত্রী ও শাশুড়ি খুন, শ্বশুর আশঙ্কাজনক।
- ২০২২ সালে প্রেম করে বিয়ের পর চলতি বছরের মার্চে তারা বাড়িতে ফিরেছিলেন।
- সন্তানকে কেড়ে নেওয়ার চেষ্টায় বাধা দেওয়ায় পুরো পরিবারের ওপর ধারালো অস্ত্রের হামলা।
- অভিযুক্ত অমিত গুপ্তকে ধরতে পুলিশের তিনটি বিশেষ টিমের চিরুনি অভিযান।
