ফুলশয্যার রাতে স্ত্রী বললেন-আমাকে দরগাহ যেতে হবে, তারপর ঘটালেন এমন এক কাণ্ড, যা শুনে সকলে হতবাক – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
রাজস্থানের আজমীরের কমলা বাউড়ি এলাকায় বিয়ের খুশির রেশ কাটতে না কাটতেই নেমে এল চরম বিপর্যয়। বেশি বয়সের কারণে বিয়ে হচ্ছিল না প্রমোদ কুমার নামে এক যুবকের, আর সেই সুযোগটিকেই কাজে লাগায় একটি প্রতারক চক্র। মনীষা নামের এক নারী দলাল উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা চাঁদনীকে ‘অসহায়’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে প্রমোদের কাছ থেকে বিয়ের খরচ বাবদ ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।
সুপরিকল্পিত পলায়ন
আর্য সমাজ মন্দিরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয় চাঁদনীর অভিনয়। বিয়ের প্রথম রাতে পেটে ব্যথার অজুহাতে স্বামীর থেকে দূরত্ব বজায় রাখে সে। পরদিন সকালে পুণ্য অর্জনের কথা বলে আজমীর শরীফ দরগাহে যাওয়ার জেদ ধরে চাঁদনী। সরল বিশ্বাসে প্রমোদ তাকে নিয়ে দরগাহে গেলে ভিড়ের সুযোগ নিয়ে চোখের পলকে সেখান থেকে পালিয়ে যায় কনে।
পুলিশি তদন্ত ও প্রভাব
প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে প্রমোদ কুমার গঞ্জ থানায় মনীষা ও চাঁদনীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করছে, এটি একটি বড় কোনো আন্তঃরাজ্য প্রতারক চক্রের কাজ, যারা মূলত বিয়ে করতে ইচ্ছুক পুরুষদের লক্ষ্য করে ফাঁদ পাতে। এই ঘটনার ফলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এবং অপরিচিত ঘটক বা দলালদের মাধ্যমে বিয়ের ক্ষেত্রে আইনি ও সামাজিক সতর্কতার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় এসেছে।
এক ঝলকে
- দলালকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে আর্য সমাজ মন্দিরে বিয়ে করেছিলেন প্রমোদ কুমার।
- বিয়ের পরের দিনই দরগাহ জিয়ারতের নাম করে কৌশলে পালিয়ে যান কনে চাঁদনী।
- উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা দাবি করা ওই কনে ও নারী দলালের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
- পুলিশ একে একটি সংগঠিত প্রতারক চক্রের কাজ বলে সন্দেহ করছে।
