বাংলার ভোটে নজিরবিহীন পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন মোদী! গণতন্ত্রের জয়গানে মাতলেন প্রধানমন্ত্রী – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
পশ্চিমবঙ্গের হাই-ভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনের ভাগ্যনির্ধারণী লগ্নে উত্তরপ্রদেশের মাটি থেকে বাংলার ভোটারদের ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হারদোইয়ের সভা থেকে তিনি দাবি করেন, গত ছয়-সাত দশকে বাংলায় যা কল্পনা করা যায়নি, বর্তমানে সেই আসাম্ভবই বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। ভোট দিতে গিয়ে মানুষের ভয়হীন স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে গণতন্ত্রের এক বিরাট জয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
ভয়মুক্ত পরিবেশ ও বিপুল ভোটদান
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তার মূল ভিত্তি হলো নির্বাচন কমিশনের কড়াকড়ি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে ভোটারদের মনে সাহস জোগানো। মোদী তাঁর ভাষণে স্পষ্ট করেছেন যে, কয়েক দশক ধরে বাংলার নির্বাচনে হিংসার যে আবহ ছিল, তা এবার অনেকটাই ম্লান। বুথে বুথে সাধারণ মানুষের লম্বা লাইন প্রমাণ করছে যে মানুষ কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে পরিবর্তনের সংকল্প নিয়ে নির্ভয়ে নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করছেন।
সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক কৌশল
বাংলার ১৪২টি আসনে ভোট চলাকালীন উত্তরপ্রদেশের সরকারি মঞ্চ থেকে এমন মন্তব্য মোদীর এক সুপরিকল্পিত কৌশল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তিনি বাংলার ভাই-বোনদের রেকর্ড সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আবেদন জানিয়ে গণতন্ত্রকে আরও মজবুত করার আহ্বান জানিয়েছেন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বুথগুলোতে মানুষের ক্রমবর্ধমান ভিড়কে তিনি সংবিধানের জয় হিসেবে দেখছেন। ৪ মে-র ফলাফলই বলে দেবে মোদীর এই আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন জনমত তথা ব্যালট বক্সে ঠিক কতটা স্থায়ী হলো।
এক ঝলকে
- বাংলার বিধানসভা ভোট চলাকালীন উত্তরপ্রদেশের সভা থেকে ভোটারদের সাহসের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী।
- গত ৬০ বছরে যা হয়নি সেই ‘ভয়মুক্ত’ ভোটদান এবার সম্ভব হচ্ছে বলে দাবি করেছেন নরেন্দ্র মোদী।
- নির্বাচনী হিংসা কাটিয়ে বাংলার মানুষ নির্ভয়ে বুথে যাচ্ছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
- বিপুল সংখ্যায় ভোট দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে শক্তিশালী করার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
