বাটানগরে ইতিহাস সৃষ্টির উদ্যোগ, ১০ হাজার কণ্ঠে ধ্বনিত হবে মহা গীতা পাঠ! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
বাটানগর: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাটানগরে এই প্রথমবার অনুষ্ঠিত হতে চলেছে এক সুবিশাল গীতা পাঠের আয়োজন। সনাতনী সংস্কৃতি সংসদ, পশ্চিমবঙ্গের পরিচালনায় আগামী ২৩ আগস্ট বাটানগর ফুটবল মাঠে যৌথভাবে ‘১০ হাজার কণ্ঠে গীতা পাঠ’-এর মহাযজ্ঞ আয়োজিত হতে যাচ্ছে।
এই বৃহৎ কর্মসূচির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছে মহেশতলা হ্যান্ডিক্যাপড ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এবং সহযোগিতায় রয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (বাটানগর-মহেশতলা প্রখণ্ড)।
🕊️ প্রধান উদ্দেশ্য:
আয়োজকদের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানানো হয়েছে যে, এই অনুষ্ঠানের পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা সামাজিক বিভেদ তৈরির লক্ষ্য নেই। বরং সমাজে নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিকতা, সত্য, ন্যায়, কর্তব্যবোধ, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই এই গীতা পাঠের মূল উদ্দেশ্য।
🗣️ উদ্যোক্তা ও বিশিষ্টজনদের মন্তব্য:
- সুমন ভট্টাচার্য (আহ্বায়ক, আয়োজক কমিটি): বর্তমান সমাজে চরিত্র গঠন, সামাজিক ঐক্য এবং জাতীয় চেতনা জাগ্রত করতে নৈতিক চর্চা অত্যন্ত জরুরি। এই অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
- অমর ঘোষ (সম্পাদক, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, মহেশতলা প্রখণ্ড): গীতার চিরন্তন শিক্ষা মানুষকে আত্মবিশ্বাস, ইতিবাচক চিন্তাভাবনা ও কর্তব্যপরায়ণতার পথ দেখায়। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জোরদার করতেই এই প্রচেষ্টা।
- স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ / কার্তিক মহারাজ (সভাপতি): ব্যক্তি ও সমাজের উন্নতির পাশাপাশি দেশ ও দশের কল্যাণসাধনই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।
- স্বামী নির্গুণানন্দ মহারাজ (কার্যকারী সম্পাদক): এই কর্মসূচি সমগ্র জেলা ও রাজ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলবে এবং বিপুল মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সাফল্যমণ্ডিত হবে।
সাংবাদিক বৈঠকে এ দিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী, স্বামী সর্বানন্দ, বন্ধু গৌরব মহারাজ, জগদ্ধাত্রীয়া দাস প্রভু সহ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট গুণীজনেরা।
দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এত বড় পরিসরে ১০ হাজার কণ্ঠে একসঙ্গে গীতা পাঠের আয়োজন এই প্রথম, যা নিয়ে ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।
