বালিতে ইভিএম বিভ্রাট ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, পরিস্থিতি সামলাতে দুই বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করল বাহিনী

বালিতে ইভিএম বিভ্রাট ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, পরিস্থিতি সামলাতে দুই বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করল বাহিনী

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল হাওড়ার বালি। বুধবার সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হতেই বালির ডন বস্কো লিলুয়া সহনলাল স্কুলের একটি বুথে ইভিএম বিকল হয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ভোটদান প্রক্রিয়া দীর্ঘক্ষণ থমকে থাকায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটাররা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে।

ইভিএম বিপর্যয় ও জনরোষ

বালির ৪২ নম্বর বুথ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ১৫২, ১৫৩ এবং ১৫৪ নম্বর বুথেও ইভিএম বিকল হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দফায় দফায় যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে ভোটারদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে ধস্তাধস্তি ও অশান্তির রূপ নেয়। খবর পেয়ে হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। বর্তমানে ওই এলাকায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ভোটের সকালে বিক্ষিপ্ত অশান্তি

বালির পাশাপাশি দ্বিতীয় দফার ভোটে রাজ্যের অন্যান্য প্রান্ত থেকেও অশান্তির খবর মিলেছে। নদিয়ার চাপড়ায় এক বিজেপি এজেন্টের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, কলকাতার শ্যামপুকুরে বুথের একশ মিটারের মধ্যে অবৈধ জমায়েত হঠাতে পুলিশকে লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করতে দেখা যায়। ইভিএম ত্রুটির কারণে অনেক জায়গায় নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছুক্ষণ পর ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা নিয়ে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।

এক ঝলকে

  • হাওড়ার বালিতে ইভিএম বিকল হওয়াকে কেন্দ্র করে ভোটারদের মধ্যে চরম উত্তেজনা ও বিক্ষোভ।
  • পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপ এবং গোলমালের অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার।
  • বালির একাধিক বুথে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দীর্ঘক্ষণ ব্যাহত হয় ভোটদান প্রক্রিয়া।
  • বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পুলিশি পাহারায় পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *