“বিজেপির ‘তৃণমূলীকরণ’ আসাম্ভব, বেআইনি কাজে শূন্য সহনশীলতা!” কর্মীদের চরম সতর্কবার্তা শমীকের – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর নিচুতলার কিছু দলীয় কর্মীর ভূমিকা ও অনিয়ম নিয়ে দলের অন্দরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করায় স্বদলীয় কর্মীদের চরম সংযম ও আত্মশুদ্ধির পাঠ দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। রবিবারে রাজারহাটে আয়োজিত এক দলীয় কর্মসূচিতে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন—বিজেপির শরীরকে ‘তৃণমূলের সংক্রামক অপসংস্কৃতি’ থেকে দূরে রাখতে হবে, তা না হলে দলের অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে পড়বে।
১. “বিজেপির তৃণমূলীকরণ আসাম্ভব”
দলের মধ্যে তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলা নিয়ে সোচ্চার হয়ে তিনি জানান, কিছু এলাকায় কর্মীরা নিজেদের ‘স্বঘোষিত কাউন্সিলর’ হিসেবে জাহির করছেন এবং সামান্য রক্তদান শিবিরেও শত শত মাইক বাজিয়ে সাউন্ড দূষণ করছেন। উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “৪৪ জন রক্ত দিচ্ছেন অথচ ৪৪৪টি মাইক বাজানো হচ্ছে—এই সস্তা সংস্কৃতি বদলাতেই মানুষ পরিবর্তন এনেছেন।” তিনি কঠোরভাবে সতর্ক করে দেন যে, বিজেপির ‘তৃণমূলীকরণ’ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
২. তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজ নিয়ে অকপট স্বীকারোক্তি
ক্ষমতাবদল হলেও দীর্ঘদিনের শিকড় গেড়ে বসা তোলাবাজি বা অনৈতিক ব্যবস্থা যে রাতারাতি মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি, তা স্বীকার করে নেন শমীকবাবু। তিনি বলেন, “দীর্ঘদিনের শিকড় গেড়ে বসা সিন্ডিকেট রাজ কেবল শাসনের মুখ বদলালেই নিমেষে উবে যায় না।”
৩. কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি (‘ডিমথেরাপি’)
পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে বিজেপি নেতৃত্ব যে দ্বিধা করবে না, তা স্পষ্ট করে দেন রাজ্য সভাপতি। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ কিংবা বেআইনি বা তোলাবাজির মতো কাজে কেউ জড়ালে কাউকেই রেয়াত করা হবে না বলে কড়া সুরেই ‘ডিমথেরাপি’-র ইঙ্গিত দেন তিনি।
