বিশ্রামই হলো শেষ ঘুম! বালিতে বিরতি চলাকালীন হৃদরোগে প্রাণ হারালেন এয়ার ইন্ডিয়ার তরুণ পাইলট

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে বিমানযাত্রার বিরতিতে (লে ওভার) থাকাকালীন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারালেন এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলট। ৪০ বছর বয়সী ওই পাইলট মঙ্গলবার দিল্লি থেকে যাত্রীদের নিয়ে বালিতে পৌঁছেছিলেন। বুধবার হোটেলের ঘরে বিশ্রাম নেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করলে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে শেষ রক্ষা হয়নি। অত্যন্ত ফিট এবং সুশৃঙ্খল হিসেবে পরিচিত এই কর্মীর অকালপ্রয়াণে বিমান পরিষেবার মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ছিল না কোনো ত্রুটি
বিমান চালকদের জন্য নির্ধারিত অত্যন্ত কড়া স্বাস্থ্যবিধি বা ‘মেডিকেল এক্সামিনেশন’ রিপোর্ট অনুযায়ী, মৃত পাইলটের শরীরে কোনো পূর্ব অসুস্থতার লক্ষণ ছিল না। এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষের দাবি, কয়েক মাস আগেই তাঁর যাবতীয় শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছিল এবং রিপোর্ট সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিল। এমনকি ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (DGCA) নির্ধারিত উড্ডয়ন সময়সীমা মেনেই তিনি দায়িত্ব পালন করছিলেন, ফলে অতিরিক্ত কাজের চাপের কোনো প্রাথমিক প্রমাণ মেলেনি।
উদ্বেগ বাড়ছে বিমান পরিবহন মহলে
এই ঘটনার ফলে উড়ান কর্মীদের সুরক্ষা এবং দীর্ঘ আকাশযাত্রার ধকল নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ শোকাতুর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং বিদেশের মাটি থেকে দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই মৃত্যু ফের মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, শারীরিক পরীক্ষা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের নিয়ম থাকা সত্ত্বেও মাঝ আকাশ বা বিরতি চলাকালীন হৃদরোগের ঝুঁকি পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না।
এক ঝলকে
- দিল্লি থেকে বালি যাওয়ার পর লে ওভারে থাকাকালীন ৪০ বছর বয়সী এয়ার ইন্ডিয়া পাইলটের মৃত্যু।
- মৃত্যুর প্রাথমিক কারণ হিসেবে চিকিৎসকরা আকস্মিক হৃদরোগের কথা জানিয়েছেন।
- সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্টে ওই পাইলটের কোনো শারীরিক সমস্যা ছিল না।
- মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিমান সংস্থা।
