বুক ফুলিয়ে সরকার গড়ার হুঙ্কার দিলেন দিলীপ ঘোষ! ভোট মিটতেই বঙ্গ রাজনীতিতে বড় ধামাকা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের হাইভোল্টেজ লড়াই শেষ হতেই ফলের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে রাজনৈতিক মহল। তবে গণনা শুরুর আগেই জয়ের ব্যাপারে প্রবল আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই বৃহস্পতিবার সকালে তিনি দাবি করেন, বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া নয়, বরং সুনামি আসতে চলেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি জানান, বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই ক্ষমতায় ফিরছে।
ঐতিহাসিক ভোট ও সরকার গঠনের প্রত্যয়
কলকাতার ভোটদানকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়ে দিলীপ ঘোষ জানান, গ্রাম থেকে শহর এবং সাধারণ মানুষ থেকে পুলিশ—সর্বত্রই পরিবর্তনের একমুখী সুর শোনা যাচ্ছে। বিহারের নির্বাচনের উদাহরণ টেনে তিনি দাবি করেন, বিজেপি এমন আসন সংখ্যা পাবে যে সরকার চালানোর জন্য অন্য কোনও দল ভাঙানোর প্রয়োজন হবে না। তাঁর মতে, মানুষ বর্তমান সরকারের বিকল্প হিসেবে বিজেপিকে বেছে নিয়েছে এবং পর্যাপ্ত আসন পাওয়ার বিষয়ে তিনি নিশ্চিত।
মন্ত্রিত্বের জল্পনা ও আগাম ইঙ্গিত
সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপির সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা এবং দিলীপ ঘোষের দফতর নিয়ে চলা জল্পনাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ এই প্রবীণ নেতা। তিনি স্পষ্ট জানান, ফেসবুকের চর্চার চেয়ে তিনি সরাসরি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখায় বিশ্বাসী। তাঁর কাছে ব্যক্তিগত মন্ত্রিত্বের চেয়ে সরকার গঠনই এখন প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি কালবৈশাখীর আবহাওয়ার সঙ্গে রাজনীতির তুলনা টেনে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, প্রকৃতির আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথেই বাংলায় শাসক বদলের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।
দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য তৃণমূল শিবিরের ওপর চাপ তৈরির কৌশল নাকি বাস্তবের প্রতিফলন, তা নিয়ে বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ফলাফল বেরোনোর আগে তাঁর এই আক্রমণাত্মক মেজাজ কর্মীদের মনোবল বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। ৪ জুন ইভিএম খোলার পর বোঝা যাবে এই আত্মবিশ্বাসী ভবিষ্যদ্বাণী কতটা সঠিক প্রমাণিত হয়।
এক ঝলকে
- দ্বিতীয় দফার ভোট শেষে বাংলায় বিজেপি সরকার গড়ার ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত দিলীপ ঘোষ।
- দল ভাঙিয়ে নয়, বরং বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই সরকার পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন এই নেতা।
- সোশ্যাল মিডিয়ার জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে তাঁর অগ্রাধিকার এখন রাজ্যে শাসন ক্ষমতা বদল।
- নির্বাচনের ফলাফল এবং দিলীপ ঘোষের দাবির সত্যতা যাচাই হবে আগামী ৪ জুন।
