বেটি বাঁচাও থেকে উজ্জ্বলা: একগুচ্ছ কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2024/04/Suvendu-Adhikari.jpg)
সোমবার নবান্নে প্রথম দিনের প্রশাসনিক ব্যস্ততার মাঝেই রাজ্যের মানুষের জন্য আরও একটি বড় সুখবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলোর সুবিধা থেকে বাংলার মানুষ আর বঞ্চিত হবেন না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনকল্যাণমুখী ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্পগুলোকে দ্রুত রাজ্যে কার্যকর করার জন্য নবান্ন থেকে জেলা শাসকদের বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
পুরোদমে ফিরছে কেন্দ্রীয় প্রকল্প
মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা’ (আয়ুষ্মান ভারত)-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে রাজ্যকে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করার আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। এতদিন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের রূপায়ণ নিয়ে যে জটিলতা ছিল, তা কাটিয়ে উঠে এবার সরাসরি সাধারণ মানুষের হাতে সুবিধা পৌঁছে দিতে চায় নতুন সরকার। তালিকায় রয়েছে:
- প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা ও কৃষক বিমা: স্বাস্থ্য ও কৃষিক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বিমার সুবিধা ফেরানো।
- উজ্জ্বলা ও বিশ্বকর্মা যোজনা: বিনামূল্যে গ্যাস সংযোগ এবং হস্তশিল্পী ও কারিগরদের আর্থিক সহায়তা প্রদান।
- বেটি বাঁচাও-বেটি পড়াও ও পিএম শ্রী: নারী শিক্ষা ও আধুনিক স্কুল পরিকাঠামো তৈরির লক্ষ্যে কাজ শুরু।
জেলা শাসকদের কড়া নির্দেশ
প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি জেলা শাসকদের (DM) সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রতিটি জেলা থেকে যোগ্য উপভোক্তাদের সমস্ত আবেদন দ্রুত সংগ্রহ করে সরাসরি সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলোতে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। এর ফলে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে মাঝপথে কোনো বাধা থাকবে না বলে মনে করছে নবান্ন।
উন্নয়নে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়
শুভেন্দু অধিকারীর এই ঘোষণা প্রমাণ করে যে, রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি বদ্ধপরিকর। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব দূর করে সাধারণ মানুষের অধিকার সুনিশ্চিত করাই এখন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর অগ্রাধিকার। মূলত কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ প্রচেষ্টায় বাংলার প্রতিটি পরিবারকে সরকারি সুরক্ষাকবচের আওতায় আনাই এখন নতুন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
