ভবানীপুরে জয়ের ব্যবধান বাড়াতে তৃণমূলের মাইক্রো ম্যানেজমেন্ট কৌশল, জাভেদ খানকে বিশেষ দায়িত্ব

ভবানীপুরে জয়ের ব্যবধান বাড়াতে তৃণমূলের মাইক্রো ম্যানেজমেন্ট কৌশল, জাভেদ খানকে বিশেষ দায়িত্ব

ভবানীপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে জয়ের রেকর্ড গড়তে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের ব্যবধান ঐতিহাসিক মাত্রায় নিয়ে যেতে এবার ‘মাইক্রো ম্যানেজমেন্ট’ বা সূক্ষ্ম স্তরের রণকৌশল গ্রহণ করল শাসকদল। নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রায় ৪০ হাজার নাম বাদ পড়ার ঘটনার পর, বিজেপিকে রাজনৈতিকভাবে যোগ্য জবাব দিতেই এই সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। ওয়ার্ড ভিত্তিক ভোটব্যাঙ্ক অটুট রাখতে এবং প্রচারের ধার বাড়াতে তৃণমূল সুপ্রিমো নিজে সাংগঠনিক দায়িত্ব বন্টন করেছেন।

বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক ও প্রচারের যাবতীয় দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান নেতা জাভেদ খানের হাতে। ভবানীপুরের এই ওয়ার্ডটি মূলত সংখ্যালঘু এবং অবাঙালি অধ্যুষিত। এই মিশ্র জনবিন্যাসের রাজনৈতিক সমীকরণ মাথায় রেখেই অভিজ্ঞ সংগঠক জাভেদ খানকে সেখানে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর মূল লক্ষ্য হবে প্রতিটি পরিবারের কাছে রাজ্য সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান পৌঁছে দেওয়া এবং বিরোধীদের এক ইঞ্চি জমিও না ছাড়া। এই কৌশলের মাধ্যমে সংখ্যালঘু ও অবাঙালি ভোটারদের আস্থা অর্জন করে জয়ের ব্যবধান কয়েকগুণ বাড়ানোই দলের লক্ষ্য।

এর আগে ভবানীপুরের অন্তর্গত কলকাতা পুরসভার আটটি ওয়ার্ডের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি এবং ফিরহাদ হাকিমের মধ্যে। সুব্রত বক্সির অধীনে থাকা পাঁচটি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডটিকে এবার পৃথকভাবে জাভেদ খানের হাতে সঁপে দেওয়া হয়েছে। জাভেদ খান দায়িত্ব গ্রহণ করেই জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নের বার্তা প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়ে ভবানীপুরের মাটিতে বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। ‘মিনি ইন্ডিয়া’ খ্যাত এই কেন্দ্রে তৃণমূলের এই চাল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *