ভারতের আকাশে দুর্ভেদ্য প্রাচীর! মে মাসেই আসছে রাশিয়ার শক্তিশালী এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে মে মাসেই ভারত হাতে পেতে চলেছে রাশিয়ার তৈরি চতুর্থ এস-৪০০ ‘ট্রায়াম্ফ’ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম। ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে বিশ্বজুড়ে নানাবিধ ভূ-রাজনৈতিক টানাপড়েন থাকলেও নয়াদিল্লি ও মস্কোর প্রতিরক্ষা সম্পর্কে তার কোনো প্রভাব পড়েনি। প্রতিরক্ষা দফতর সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ঘাতক এই অস্ত্রবাহী জাহাজ ভারতের পথে রওনা দিয়েছে, যা আগামী মাসেই বায়ুসেনার অস্ত্রাগারে যুক্ত হবে।
সীমান্তে সুরক্ষার নতুন দিগন্ত
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, চতুর্থ এই ইউনিটটি ভারতের কৌশলগত অবস্থানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪০০ কিলোমিটার পাল্লার এই মিসাইল সিস্টেমটি শত্রু শিবিরের ড্রোন, যুদ্ধবিমান এমনকি ব্যালেস্টিক মিসাইলকেও আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম। বিশেষ করে পশ্চিম সীমান্ত ও সিন্ধু নদ সংলগ্ন এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধির লক্ষ্যে এটি ব্যবহার করা হতে পারে। এতে করে প্রতিবেশী দেশগুলোর যেকোনো আকাশপথের উস্কানি রুখে দেওয়া ভারতের জন্য আরও সহজ হবে।
প্রতিরক্ষায় কেন অজেয় ট্রায়াম্ফ
এই মিসাইল সিস্টেমের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর রাডার প্রযুক্তি, যা অত্যন্ত শক্তিশালী স্টিলথ যুদ্ধবিমানকেও অনায়াসে শনাক্ত করতে পারে। একই সঙ্গে এটি ৩৬টি লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। ভারত সরকার ইতিমধ্যেই এর কার্যকারিতায় সন্তুষ্ট হয়ে অতিরিক্ত পাঁচটি ইউনিট কেনার বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছে। এই সরবরাহ সম্পন্ন হলে ভারতের আকাশসীমা কার্যত দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত হবে।
আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা বা আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মাথা নত না করে ‘ভারত প্রথম’ নীতিতে অটল থেকে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে নয়াদিল্লি। মে মাসে এই চতুর্থ ইউনিটের মোতায়েন ভারতীয় বায়ুসেনার আত্মবিশ্বাস ও আক্রমণের শক্তি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে। শত্রুপক্ষের যেকোনো আস্ফালন রুখে দিয়ে আকাশপথের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখাই এখন ভারতের প্রধান লক্ষ্য।
এক ঝলকে
- আগামী মে মাসেই ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে চতুর্থ এস-৪০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম পেতে যাচ্ছে।
- এই সিস্টেমটি ৪০০ কিলোমিটার দূর থেকেই শত্রুর ড্রোন ও স্টিলথ যুদ্ধবিমান শনাক্ত এবং ধ্বংস করতে পারে।
- নতুন এই ইউনিটটি পশ্চিম সীমান্ত ও সিন্ধু সংলগ্ন কৌশলগত অবস্থানে মোতায়েন করার সম্ভাবনা রয়েছে।
- এর ফলে পাকিস্তান ও চীন সীমান্ত সংলগ্ন ভারতের আকাশসীমা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত ও অভেদ্য হয়ে উঠবে।
