ভোটগণনায় নজিরবিহীন কড়াকড়ি! সামান্য ভুলে পর্যবেক্ষকদের দিতে হবে জবাবদিহি, জারি নতুন নির্দেশ

আগামী ৪ মে রাজ্যের নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। এবার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য নিযুক্ত পর্যবেক্ষকদের সশরীরে গণনাকেন্দ্রে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গণনার পুরো প্রক্রিয়ার ওপর সরাসরি নজরদারি চালানোর পাশাপাশি গণনায় কোনো প্রকার ত্রুটি বা অসংগতি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষককেই তার দায়ভার গ্রহণ করতে হবে এবং কমিশনকে জবাবদিহি করতে হবে।
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও নজরদারি
শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগণনা সম্পন্ন করতে রাজ্যজুড়ে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের জন্য কিউআর-কোডযুক্ত বিশেষ পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া, নির্বাচনী হিংসা রুখতে এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাজ্যজুড়ে মোতায়েন থাকছে ৭০০ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় বাহিনী (সিএপিএফ)। বিশেষ করে উত্তপ্ত ও স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে বাহিনীর বিশেষ টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে ফল প্রকাশের পরবর্তী সময়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
জমায়েত ও বিশৃঙ্খলা রোধে কড়াকড়ি
গণনাকেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে জমায়েত রুখতে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। কলকাতা পুলিশের অধীনে থাকা সব গণনাকেন্দ্রের চারপাশে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে, যার ফলে ৫ জন বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ থাকছে। কোনো ধরনের বিক্ষোভ বা উত্তেজনা দমনে পুলিশকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত গণনার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং জনমানসে আস্থার পরিবেশ বজায় রাখতেই কমিশনের এই বাড়তি সতর্কতা।
এক ঝলকে
- প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের পর্যবেক্ষককে সশরীরে গণনাকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে।
- গণনায় ভুল হলে পর্যবেক্ষকদের সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
- নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৭০০ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ত্রিস্তরীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকছে।
- বিশৃঙ্খলা এড়াতে গণনাকেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে।
