ভোটের নিরাপত্তায় নজিরবিহীন লৌহবর্ম! দ্বিতীয় দফায় কমিশনের বড় চমক – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
প্রথম দফার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে নিরাপত্তার দুর্ভেদ্য প্রাচীর গড়তে চলেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল থেকে সুন্দরবনের দুর্গম সীমান্ত—অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে কোমর বেঁধে নামছে প্রশাসন। এবার মূলত উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে ভোটাররা কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
রেকর্ড বাহিনী ও নিশ্ছিদ্র নজরদারি
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় দফার ভোটের লড়াইয়ে রাজ্যে মোট ২৭২ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। ব্যারাকপুরের মতো শিল্পাঞ্চলের প্রতিটি বুথে ৪ থেকে ৮ জন জওয়ান মোতায়েন থাকবে। অন্যদিকে, সুন্দরবনের নদীপথে নজরদারির জন্য প্রথমবারের মতো স্পিডবোট এবং দুর্গম ও ঘিঞ্জি এলাকায় আকাশপথে ড্রোনের ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে নিরাপত্তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব সামলাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, আর রাজ্য পুলিশ কাজ করবে বুথের বাইরের ভিড় সামলানোর জন্য।
শান্তি রক্ষায় কঠোর প্রযুক্তি
হিংসামুক্ত ভোট উপহার দিতে এবার প্রযুক্তির ওপর সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে কমিশন। প্রতিটি বুথে থাকছে ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিং ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে দিল্লির সদর দপ্তর থেকে সরাসরি নজরদারি চালানো হবে। এছাড়া অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় কুইক রেসপন্স টিম (QRT) এবং মাইক্রো অবজারভাররা বুথের ভেতরে সক্রিয় থাকবেন। ভোটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে অলিগলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ বাড়িয়ে এলাকা দখলের রাজনীতি রুখতে চাইছে কমিশন।
এক ঝলকে
- দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে মোট ২৭২ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে নির্বাচন কমিশন।
- শিল্পাঞ্চলের প্রতিটি বুথে গড়ে ৪ থেকে ৮ জন জওয়ান এবং দুর্গম এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চলবে।
- প্রতিটি বুথে ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিং ও জলপথে স্পিডবোট টহলদারির ব্যবস্থা থাকছে।
- বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে নিরাপত্তা বজায় রাখার মূল দায়িত্বে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
