ভোট মিটতেই বড় খবর! অভিষেকের খাসতালুকে ৭৭ বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি, টেনশনে তৃণমূল?

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলেও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নির্বাচনী চিত্র নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। প্রথম দফার ভোটে কোনো পুনর্নির্বাচনের দাবি না উঠলেও, দ্বিতীয় দফার পর চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ৭৭টি বুথে পুনরায় ভোটগ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া এই আবেদনের প্রেক্ষিতে রাজ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে।
কেন্দ্রে অভিষেকের নির্বাচনী এলাকা
নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা পড়া আবেদনের তালিকায় থাকা ৭৭টি বুথের মধ্যে ৬৪টি বুথই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারের অন্তর্গত। এর মধ্যে রয়েছে ফলতা বিধানসভার ৩২টি, ডায়মন্ড হারবারের ২৯টি এবং বজবজের ৩টি বুথ। এছাড়া জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত মগরাহাট পূর্ব বিধানসভার ১৩টি বুথেও পুনর্নির্বাচনের আর্জি জানানো হয়েছে। সিইও দপ্তর সূত্রের খবর, আবেদনের সিংহভাগই এসেছে প্রধান বিরোধী দল বিজেপির পক্ষ থেকে।
অনিয়ম ও অশান্তির অভিযোগ
ভোট চলাকালীন ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে ইভিএমে ‘টেপ’ লাগিয়ে রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মার ভূমিকা নিয়ে তৃণমূল ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ তৈরি হয়। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা দান এবং বুথ দখলের মতো অভিযোগগুলোকেই পুনর্নির্বাচনের দাবির মূল কারণ হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কমিশনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানানো না হলেও, জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।
এক ঝলকে
- দক্ষিণ ২৪ পরগনার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের আবেদন জমা পড়েছে।
- এর মধ্যে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ৩টি বিধানসভার ৬৪টি বুথ রয়েছে।
- বিরোধীদের পক্ষ থেকে মূলত ইভিএমে কারচুপি ও ভোটদানে বাধার অভিযোগ তোলা হয়েছে।
- প্রথম দফার ভোটে কোনো পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন না হলেও দ্বিতীয় দফায় এই দাবি তাৎপর্যপূর্ণ।
