মাথার উপর ভারী ঋণের বোঝা? এই ৫টি বাস্তু টিপসেই ঘুরবে ভাগ্যের চাকা, মিটবে সব আর্থিক সংকট – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
সংসারে টানাটানি বা আচমকা বিপুল অঙ্কের দেনার মুখে পড়া বর্তমান সময়ে অনেকের জীবনেই একটি নিত্যনৈমিত্তিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপ্রাণ চেষ্টা সত্ত্বেও মানুষ অনেক সময় ঋণের জালে আটকা পড়ে এবং আয় বাড়লেও ব্যয় কিছুতেই কমতে চায় না। বাস্তুবিদদের মতে, কঠোর পরিশ্রম ও উপযুক্ত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধু গৃহস্থের ভুল বাস্তুনকশা এবং শক্তির আসামপ্রবাহের কারণেই মানুষের ভাগ্যের চাকা ঘোরে না। বাড়ির নির্দিষ্ট কিছু দিকের শক্তিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে কোষ্ঠীতে শুভ গ্রহের অবস্থান থাকলেও কাঙ্ক্ষিত ফল মেলে না। বিশেষত ধনদেবতা কুবের ও দেবী লক্ষ্মীর স্থান দূষিত হলে অর্থাভাব ও ঋণগ্রস্ততা মানুষের নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়ায়। তবে সামান্য কিছু বাস্তু নিয়ম ও পরিবর্তন মেনে চললে এই নৈরাশ্যজনক পরিস্থিতি থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
আর্থিক সংকট কাটাতে এবং ঋণের জাল থেকে মুক্ত হতে বাস্তুশাস্ত্রে অত্যন্ত কার্যকর কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, বাস্তুতে উত্তর-পূর্ব দিক বা ‘ঈশান কোণ’ সমৃদ্ধির উৎস হওয়ায় এই দিক সবসময় হালকা, পরিষ্কার ও খোলা রাখা উচিত এবং এখানে জলের ট্যাঙ্ক রাখা যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, উত্তরের অধিপতি কুবেরের স্থান হওয়ায় এই দিকে কোনও ভারী আসবাব বা জঞ্জাল জমিয়ে রাখা যাবে না। তৃতীয়ত, বাড়ির উত্তর দিকের দেওয়াল সবসময় দক্ষিণ দিকের দেওয়ালের চেয়ে নিচু বা সমান রাখতে হবে। চতুর্থত, দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম অর্থাৎ ‘নৈঋত কোণ’-এ ভুল করেও ভূগর্ভস্থ জলের ট্যাঙ্ক বা নলকূপ তৈরি করা যাবে না, যা চরম দরিদ্রতা ডেকে আনে। পঞ্চমত, উত্তর বা পূর্ব দিকের দেওয়ালে বড় আকারের আয়না ঝুলিয়ে দিলে ইতিবাচক শক্তি দ্বিগুণ হয়, যা ব্যবসায় উন্নতি ত্বরান্বিত করে এবং আর্থিক সংকট দূর করতে দারুণভাবে সাহায্য করে।
